০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জুড়ীতে প্রধান শিক্ষক নিখোঁজ, মোটরসাইকেল ও জামাকাপড় উদ্ধার Logo বড়লেখায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু, লাশ উদ্ধার Logo শিক্ষার্থীদের জন্য রেজিস্ট্রেশন শুরু, শেষ সময় ২৭ এপ্রিল Logo সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, বড়লেখা-জুড়ীতে উচ্ছ্বাস Logo কুলাউড়ায় রাস্তার উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি শওকতুল ইসলাম Logo এসএসসি সমমান পরীক্ষার্থীদের নিয়ে বড়লেখায় ছাত্রশিবিরের দোয়া মাহফিল Logo বড়লেখায় ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা Logo সুর-নৃত্য-নাট্যে মণিপুরি থিয়েটারের বর্ণিল বিষু উৎসবের সমাপ্তি Logo দুর্নীতিবিরোধী বিতর্কে জুড়ীতে চ্যাম্পিয়ন মক্তদীর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় Logo বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমছে, আর দেশে বাড়ছে, খুবই দুঃখজনক: জামায়াত আমির

হাতকড়া ও শিকল পরিয়ে ৩০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:১১:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 203
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হাতে হাতকড়া, পায়ে শিকল বাঁধা অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ৩০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে তাঁদের বহনকারী বিশেষ ভাড়া করা উড়োজাহাজ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। রানওয়ে পর্যন্ত শিকল বেঁধেই তাঁদের আনা হয়েছে। রানওয়ে থেকে শিকল খুলে অ্যারাইভাল গেটে নেওয়া হয়। এ সময় কাউকে তাঁদের কাছে যেতে দেওয়া হয়নি। কাউকে কোনো ধরনের ছবিও তুলতে দেওয়া হয়নি। তাঁদের মধ্যে একজন নারীও আছেন।

জানতে চাইলে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) ডিআইজি (ইমিগ্রেশন) মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘একজন নারীসহ ৩০ জনকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তাঁদের বহনকারী উড়োজাহাজ বিমানবন্দরে এসেছে।’

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রত্যক্ষদর্শী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাত ১১টার পর উড়োজাহাজটি অবতরণ করলেও তিন ঘণ্টা সেটি রানওয়েতে ছিল। সেখানে আরোহীদের হাতকড়া ও শিকল খোলা হয়, বিমানবন্দরের অ্যারাইভাল এরিয়ায় পৌঁছানোর আগেই সবাইকে শিকলমুক্ত করে দেওয়া হয়। রাত ২টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাঁদের বিমানবন্দরে আনা হয়। এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষ টিম, কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থার বিশেষ টিম এবং যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘ যাত্রা ও শিকল পরে থাকার কারণে আগতরা ছিলেন বিধ্বস্ত। ওই সময় নোয়াখালীর ২২ বছর বয়সী আব্দুল্লাহ বিমানবন্দরে হতাশা প্রকাশ করে বলতে থাকেন, এই লম্বা যাত্রায় পুরোটা সময় হাতে-পায়ে দাগি আসামির মতো শিকল পরিয়ে রেখেছিল। একে তো দেশে ফেরত আসার হতাশা, তার ওপর ‘টেররিস্টের’ মতো হাতে-পায়ে শিকল পরে মাতৃভূমিতে ফেরার মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি আর কারও যেন না হয়!

বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের পক্ষ থেকে তাঁদের বাড়ি পৌঁছানোর জন্য অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর অভিযান জোরদার করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় একাধিক দফায় বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে। গত কয়েক মাসে অন্তত ১৮০ জন বাংলাদেশিকে ফেরত আসার তথ্য জানা গেছে।

প্রথম দিকে হাতকড়া ও শিকল পরানো না হলেও গত ২ আগস্ট একটি সামরিক পরিবহন উড়োজাহাজ সি-১৭-এ করে নারীসহ যে ৩৯ বাংলাদেশিকে দেশে পাঠানো হয়, তাঁদের সবার হাতকড়া ও শিকল ছিল।

ফেরত আসা ব্যক্তিরা জানান, প্রায় ৬০ ঘণ্টার দীর্ঘ যাত্রায় তাঁদের হাতকড়া ও শিকলে বেঁধে রাখা হয়েছিল। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যন্ত্রণা নিয়ে বসে থাকতে হয়েছে। খেতে দেওয়া হয়েছে শুধু রুটি আর পানি। এমনকি টয়লেটে যাওয়ার সময় শিকল খুলে দিয়ে একজন অফিসার সঙ্গে যেতেন, টয়লেট সারার পর আবার শিকল বেঁধে দিতেন।

পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) ও এইচএসআইএর ইমিগ্রেশন বিভাগের সূত্র বলছে, এর আগে চলতি বছরের ৮ জুন একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে ৪২ বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে আনা হয়।

এর আগে চলতি বছরের ৬ মার্চ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত একাধিক ফ্লাইটে আরও অন্তত ৩৪ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়। ২০২৪ সালের শুরু থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো বাংলাদেশির সংখ্যা ১৮০ ছাড়িয়েছে।

মার্কিন আইন অনুযায়ী, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবস্থানকারী অভিবাসীদের আদালতের রায় বা প্রশাসনিক আদেশে দেশে ফেরত পাঠানো যায়। সাম্প্রতিক সময়ে এ প্রক্রিয়া দ্রুততর করার কারণে চার্টার্ড ও সামরিক ফ্লাইটের ব্যবহার বেড়েছে।

এর আগে ২০১৬ সালে ২৭ বাংলাদেশিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে। তাঁরা বিশেষ ফ্লাইটে এসেছিলেন, আর যাত্রাপথে হাতকড়া পরিয়ে রাখা হয়েছিল। এই দৃশ্য তখন দেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। এভাবে শিকল পরানোয় মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে তখন। এ নিয়ে বাংলাদেশ সরকার ও মার্কিন প্রশাসনের মধ্যে আলোচনাও হয়েছিল।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রত্যাবাসনের সময় হাতকড়া ও শিকল পরানো উচিত নয়। সাধারণ অভিবাসীদের হাতকড়া বা শিকল পরিয়ে ফেরত পাঠানোটা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের পরিপন্থী।

অভিবাসীদের এভাবে হাতকড়া বা শিকল পরিয়ে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে জানতে চাইলে ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক (মাইগ্রেশন ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম) শরিফুল হাসান বলেন, ‘উন্নত জীবনের স্বপ্ন নিয়ে মানুষ অভিবাসী হতে চাইবেন, এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। একই সঙ্গে গন্তব্য দেশ চাইলে তাঁদের ফিরিয়েও দিতে পারে। তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাতকড়া পরিয়ে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এটি অভিবাসনপ্রত্যাশী মানুষের জন্য সারা জীবনের ট্রমা হয়ে থাকে। আমরা আশা করি, আগামী দিনে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া আরও মানবিক হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে গুরুত্ব দেবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

হাতকড়া ও শিকল পরিয়ে ৩০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০৮:১১:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

হাতে হাতকড়া, পায়ে শিকল বাঁধা অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ৩০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে তাঁদের বহনকারী বিশেষ ভাড়া করা উড়োজাহাজ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। রানওয়ে পর্যন্ত শিকল বেঁধেই তাঁদের আনা হয়েছে। রানওয়ে থেকে শিকল খুলে অ্যারাইভাল গেটে নেওয়া হয়। এ সময় কাউকে তাঁদের কাছে যেতে দেওয়া হয়নি। কাউকে কোনো ধরনের ছবিও তুলতে দেওয়া হয়নি। তাঁদের মধ্যে একজন নারীও আছেন।

জানতে চাইলে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) ডিআইজি (ইমিগ্রেশন) মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘একজন নারীসহ ৩০ জনকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তাঁদের বহনকারী উড়োজাহাজ বিমানবন্দরে এসেছে।’

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রত্যক্ষদর্শী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাত ১১টার পর উড়োজাহাজটি অবতরণ করলেও তিন ঘণ্টা সেটি রানওয়েতে ছিল। সেখানে আরোহীদের হাতকড়া ও শিকল খোলা হয়, বিমানবন্দরের অ্যারাইভাল এরিয়ায় পৌঁছানোর আগেই সবাইকে শিকলমুক্ত করে দেওয়া হয়। রাত ২টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাঁদের বিমানবন্দরে আনা হয়। এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষ টিম, কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থার বিশেষ টিম এবং যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘ যাত্রা ও শিকল পরে থাকার কারণে আগতরা ছিলেন বিধ্বস্ত। ওই সময় নোয়াখালীর ২২ বছর বয়সী আব্দুল্লাহ বিমানবন্দরে হতাশা প্রকাশ করে বলতে থাকেন, এই লম্বা যাত্রায় পুরোটা সময় হাতে-পায়ে দাগি আসামির মতো শিকল পরিয়ে রেখেছিল। একে তো দেশে ফেরত আসার হতাশা, তার ওপর ‘টেররিস্টের’ মতো হাতে-পায়ে শিকল পরে মাতৃভূমিতে ফেরার মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি আর কারও যেন না হয়!

বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের পক্ষ থেকে তাঁদের বাড়ি পৌঁছানোর জন্য অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর অভিযান জোরদার করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় একাধিক দফায় বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে। গত কয়েক মাসে অন্তত ১৮০ জন বাংলাদেশিকে ফেরত আসার তথ্য জানা গেছে।

প্রথম দিকে হাতকড়া ও শিকল পরানো না হলেও গত ২ আগস্ট একটি সামরিক পরিবহন উড়োজাহাজ সি-১৭-এ করে নারীসহ যে ৩৯ বাংলাদেশিকে দেশে পাঠানো হয়, তাঁদের সবার হাতকড়া ও শিকল ছিল।

ফেরত আসা ব্যক্তিরা জানান, প্রায় ৬০ ঘণ্টার দীর্ঘ যাত্রায় তাঁদের হাতকড়া ও শিকলে বেঁধে রাখা হয়েছিল। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যন্ত্রণা নিয়ে বসে থাকতে হয়েছে। খেতে দেওয়া হয়েছে শুধু রুটি আর পানি। এমনকি টয়লেটে যাওয়ার সময় শিকল খুলে দিয়ে একজন অফিসার সঙ্গে যেতেন, টয়লেট সারার পর আবার শিকল বেঁধে দিতেন।

পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) ও এইচএসআইএর ইমিগ্রেশন বিভাগের সূত্র বলছে, এর আগে চলতি বছরের ৮ জুন একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে ৪২ বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে আনা হয়।

এর আগে চলতি বছরের ৬ মার্চ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত একাধিক ফ্লাইটে আরও অন্তত ৩৪ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়। ২০২৪ সালের শুরু থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো বাংলাদেশির সংখ্যা ১৮০ ছাড়িয়েছে।

মার্কিন আইন অনুযায়ী, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবস্থানকারী অভিবাসীদের আদালতের রায় বা প্রশাসনিক আদেশে দেশে ফেরত পাঠানো যায়। সাম্প্রতিক সময়ে এ প্রক্রিয়া দ্রুততর করার কারণে চার্টার্ড ও সামরিক ফ্লাইটের ব্যবহার বেড়েছে।

এর আগে ২০১৬ সালে ২৭ বাংলাদেশিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে। তাঁরা বিশেষ ফ্লাইটে এসেছিলেন, আর যাত্রাপথে হাতকড়া পরিয়ে রাখা হয়েছিল। এই দৃশ্য তখন দেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। এভাবে শিকল পরানোয় মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে তখন। এ নিয়ে বাংলাদেশ সরকার ও মার্কিন প্রশাসনের মধ্যে আলোচনাও হয়েছিল।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রত্যাবাসনের সময় হাতকড়া ও শিকল পরানো উচিত নয়। সাধারণ অভিবাসীদের হাতকড়া বা শিকল পরিয়ে ফেরত পাঠানোটা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের পরিপন্থী।

অভিবাসীদের এভাবে হাতকড়া বা শিকল পরিয়ে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে জানতে চাইলে ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক (মাইগ্রেশন ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম) শরিফুল হাসান বলেন, ‘উন্নত জীবনের স্বপ্ন নিয়ে মানুষ অভিবাসী হতে চাইবেন, এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। একই সঙ্গে গন্তব্য দেশ চাইলে তাঁদের ফিরিয়েও দিতে পারে। তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাতকড়া পরিয়ে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এটি অভিবাসনপ্রত্যাশী মানুষের জন্য সারা জীবনের ট্রমা হয়ে থাকে। আমরা আশা করি, আগামী দিনে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া আরও মানবিক হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে গুরুত্ব দেবে।’