জহরত আদিব চৌধুরীসহ শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিগণ
- আপডেট সময় : ০৫:২১:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
- / 10
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ জন সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে শপথ গ্রহণ করেছেন।
রোববার রাত ৯টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন।
সংসদ সচিবালয়ের সচিব মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ, তৃতীয় তফসিলের ৫ অনুচ্ছেদ এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৫ বিধি অনুসারে শপথগ্রহণ সম্পন্ন হয়।
শপথ শেষে সদস্যরা শপথপত্রে স্বাক্ষর করেন এবং সংসদ সদস্যদের তালিকাভুক্ত নথিতেও সই দেন। পরে তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আনুষঙ্গিক সামগ্রী প্রদান করা হয়। পরিচয়পত্র প্রস্তুতের জন্য ছবি তোলা ও আঙুলের ছাপ গ্রহণের ব্যবস্থাও রাখা হয়।
এবার সংরক্ষিত নারী আসনগুলো আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে বণ্টন করা হয়। এর আওতায় বিএনপি জোট থেকে ৩৬ জন, জামায়াত জোট থেকে ১৩ জন এবং স্বতন্ত্র জোট থেকে একজন প্রার্থী মনোনয়ন পান। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয় গত ২১ এপ্রিল।
তবে সংরক্ষিত নারী আসনের ৫০তম সদস্য হিসেবে নির্বাচিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতির গেজেট রোববার প্রকাশ না হওয়ায় তিনি শপথ নিতে পারেননি।
এ বিষয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি জানান, জ্যোতির মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হলেও আইনি প্রক্রিয়া ও আপিলের সুযোগ রাখার কারণে তার গেজেট প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে।
তিনি বলেন, সাধারণত মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার পরদিন গেজেট প্রকাশ করা হলেও আপিল ও মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য নির্ধারিত সময় দেওয়ায় এদিন তা সম্ভব হয়নি। ফলে তিনি এদিন শপথ নিতে পারেননি।
সবকিছু ঠিক থাকলে সোমবার তার গেজেট প্রকাশ হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন এই নির্বাচন কমিশনার।
উল্লেখ্য, গত ৩০ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে ৪৯ জনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। তবে একটি আসন নিয়ে জটিলতা থাকায় সেটি ঝুলে ছিল।
ওই আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী এবং এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র প্রথমে বাতিল করা হয়েছিল। পরে আদালতের নির্দেশে তা গ্রহণ করে পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হয় এবং শনিবার রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দীন খান তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।

















