০৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জুড়ীতে প্রধান শিক্ষক নিখোঁজ, মোটরসাইকেল ও জামাকাপড় উদ্ধার Logo বড়লেখায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু, লাশ উদ্ধার Logo শিক্ষার্থীদের জন্য রেজিস্ট্রেশন শুরু, শেষ সময় ২৭ এপ্রিল Logo সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, বড়লেখা-জুড়ীতে উচ্ছ্বাস Logo কুলাউড়ায় রাস্তার উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি শওকতুল ইসলাম Logo এসএসসি সমমান পরীক্ষার্থীদের নিয়ে বড়লেখায় ছাত্রশিবিরের দোয়া মাহফিল Logo বড়লেখায় ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা Logo সুর-নৃত্য-নাট্যে মণিপুরি থিয়েটারের বর্ণিল বিষু উৎসবের সমাপ্তি Logo দুর্নীতিবিরোধী বিতর্কে জুড়ীতে চ্যাম্পিয়ন মক্তদীর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় Logo বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমছে, আর দেশে বাড়ছে, খুবই দুঃখজনক: জামায়াত আমির

পূজা মন্ডপের নিরাপত্তায় সর্বদা তৎপর থাকবে পুলিশ

আমাদের দেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এখন মডেল- পুলিশ সুপার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:২৩:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 129
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার এম.কে.এইচ জাহাঙ্গীর হোসেন (পিপিএম-সেবা) বলেছেন, আমরা যত আধুনিক হচ্ছি, ততই হানাহানির মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন সময় দেখা যায়, পূজামন্ডপে হাত দেওয়া বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা হচ্ছে। অথচ ১৫-২০ বছর আগে এমনটা ছিল না।

তিনি বলেন, আমরা কথায় কথায় বলি ‘মাইনোরিটি গ্রুপ’ বা ‘সংখ্যালঘু’। এই শব্দগুলো সমাজে বিভেদ তৈরি করে। এগুলো আমাদের অভিধান থেকে মুছে ফেলতে হবে। বাংলাদেশে সবাই সমান। তাহলে কেন কাউকে ‘সংখ্যালঘু’ বলে আলাদা করা হবে? যারা এসব শব্দ ব্যবহার করে, তারা কখনও বাংলাদেশের ভালো চায় না। তারা সবসময় ষড়যন্ত্রের জাল বুনে চলে।

এসপি জাহাঙ্গীর হোসেন আরও বলেন, একটি রাষ্ট্রে সব ধর্মের মানুষ থাকবে-এটাই স্বাভাবিক। মাইনোরিটি শব্দ ব্যবহার মানে আগে থেকেই কারও মনোবল দুর্বল করে দেওয়া। যারা এ ধরনের কথা বলে, তাদের থেকে দূরে থাকুন। তারা দেশ ও সমাজের মঙ্গল চায় না।

তিনি শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বড়লেখা উপজেলার ১৩২টি সার্বজনীন দূর্গাপুজা মন্ডপ কমিটি, উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদ ও পুজ উদযাপন ঐক্যফ্রন্ট, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত শারদীয় দূর্গোৎসব উপলক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

বড়লেখা থানা পুলিশ প্রশাসন বড়লেখা জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে।

মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার বলেন, অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে অধীক সাহসিকতার সাথে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে আনন্দঘন পরিবেশে দূর্গোৎসব পালন করতে পারেন সে ব্যাপারে বর্তমান সরকার বদ্ধ পরিকর। হিন্দু ভাইদের যাতে নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা করতে না হয় সেব্যাপারে সবধরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার ব্যাপারে কখনও ছাড় দেওয়া হবে না। সবাই তৎপর থাকলে দুষ্কৃতিকারীরা কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রসঙ্গ টেনে পুলিশ সুপার আরো বলেন, এখনও বাংলাদেশের কোনো পাড়া বা মহল্লার কোনো হিন্দু বা মুসলিম যদি একসাথে বসবাস করে, কোনো সমস্যা হলে তারা একে অপরের পাশে দাঁড়ায়, খাবার দেয়। ওষুধ দেয়। কখনও একজন আরেকজনকে ঘৃণা করতে দেখছেন? বিপদে-আপদে একজন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের পাশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ গিয়ে দাঁড়াচ্ছেন। আমাদের দেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এখন মডেল। তাহলে কেন আমাদের মাঝে এসব বিভ্রান্তমূলক শব্দ বলে আমাদের বন্ধনটাকে আরও দুর্বল করে দিচ্ছে।

তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে উসকানি তৈরির আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করে পুলিশ সুপার বলেন, এখন এ.আই দিয়ে পূজামন্ডপে হামলা বা মূর্তি ভাঙচুরের ছবি ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এরকম ভিডিও দেখলে আগে যাচাই-বাছাই করে নেবেন। তারা এটা নিয়ে আপনাদের ভিতেরর সম্পর্কের অবনতি ঘটাতে চায়। সামাজিক বন্ধন দূর্বল করতে চায়। এই সমস্ত ব্যক্তিরা সোচ্ছার এবার। এই সময় তারা এটা ইউজ করবে। পূজাকে কেন্দ্র করে আপনারা এটা ব্যাপক আকারে দেখতে পারবেন। তারা প্রিপারেশন নিচ্ছে। আমাদের কাছে তথ্য আছে। এরকম প্রোপাগান্ডা দেখলে আগে সত্যতা যাচাই করবেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। যারা আপনাদের উল্টো বিশ্বাস করায়, তারা আগেও শান্তি চায়নি। এখনও চায় না। ভবিষ্যতও চাইবে না।

তিনি বলেন, আমাদের মা-বোনেরা যেন নির্বিঘেœ পূজা উদযাপন করতে পারে, সেজন্য পুলিশ সর্বদা তৎপর থাকবে। যাতে কোনো অবস্থায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগে।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, প্রতিটি থানার ওসিকে যুক্ত করে হায়াটসঅ্যাপ গ্রæপ খোলা হবে। যেকোনো ম্যাসেজ মুহূর্তে পুলিশ সুপারের ফোনে পৌঁছাবে। নাগরিকরা এই গ্রæপের মাধ্যমে সরাসরি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।

থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লার সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমল হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু, জেলা জামায়াতে ইসলামীর সুরা সদস্য মাওলানা আমিনুল ইসলাম, বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাফিজ, বড়লেখা আর্মি ক্যাম্পের ওয়ারেন্ট অফিসার হায়দারুল ইসলাম আকবরী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ফয়সল আহমদ, বর্নি ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, এনসিপির জেলা আহবায়ক তামিম আহমদ, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব, উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রনজিত কুমার পাল, পুজা উদযাপন ঐক্যফ্রন্টের আহবায়ক অ্যাডভোকেট শৈলেশ চন্দ্র রায়, উপজেলা আনসার ভিডিপি প্রশিক্ষক তাহের মিয়া প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় উপজেলার ১০ ইউনিয়ন ও পৌরসভার প্রতিটি সার্বজনীন দূর্গাপুজা মন্ডব কমিটির সভাপতিবৃন্দ তাদের মতামত ব্যক্ত করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

পূজা মন্ডপের নিরাপত্তায় সর্বদা তৎপর থাকবে পুলিশ

আমাদের দেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এখন মডেল- পুলিশ সুপার

আপডেট সময় : ০৭:২৩:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার এম.কে.এইচ জাহাঙ্গীর হোসেন (পিপিএম-সেবা) বলেছেন, আমরা যত আধুনিক হচ্ছি, ততই হানাহানির মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন সময় দেখা যায়, পূজামন্ডপে হাত দেওয়া বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা হচ্ছে। অথচ ১৫-২০ বছর আগে এমনটা ছিল না।

তিনি বলেন, আমরা কথায় কথায় বলি ‘মাইনোরিটি গ্রুপ’ বা ‘সংখ্যালঘু’। এই শব্দগুলো সমাজে বিভেদ তৈরি করে। এগুলো আমাদের অভিধান থেকে মুছে ফেলতে হবে। বাংলাদেশে সবাই সমান। তাহলে কেন কাউকে ‘সংখ্যালঘু’ বলে আলাদা করা হবে? যারা এসব শব্দ ব্যবহার করে, তারা কখনও বাংলাদেশের ভালো চায় না। তারা সবসময় ষড়যন্ত্রের জাল বুনে চলে।

এসপি জাহাঙ্গীর হোসেন আরও বলেন, একটি রাষ্ট্রে সব ধর্মের মানুষ থাকবে-এটাই স্বাভাবিক। মাইনোরিটি শব্দ ব্যবহার মানে আগে থেকেই কারও মনোবল দুর্বল করে দেওয়া। যারা এ ধরনের কথা বলে, তাদের থেকে দূরে থাকুন। তারা দেশ ও সমাজের মঙ্গল চায় না।

তিনি শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বড়লেখা উপজেলার ১৩২টি সার্বজনীন দূর্গাপুজা মন্ডপ কমিটি, উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদ ও পুজ উদযাপন ঐক্যফ্রন্ট, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত শারদীয় দূর্গোৎসব উপলক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

বড়লেখা থানা পুলিশ প্রশাসন বড়লেখা জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে।

মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার বলেন, অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে অধীক সাহসিকতার সাথে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে আনন্দঘন পরিবেশে দূর্গোৎসব পালন করতে পারেন সে ব্যাপারে বর্তমান সরকার বদ্ধ পরিকর। হিন্দু ভাইদের যাতে নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা করতে না হয় সেব্যাপারে সবধরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার ব্যাপারে কখনও ছাড় দেওয়া হবে না। সবাই তৎপর থাকলে দুষ্কৃতিকারীরা কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রসঙ্গ টেনে পুলিশ সুপার আরো বলেন, এখনও বাংলাদেশের কোনো পাড়া বা মহল্লার কোনো হিন্দু বা মুসলিম যদি একসাথে বসবাস করে, কোনো সমস্যা হলে তারা একে অপরের পাশে দাঁড়ায়, খাবার দেয়। ওষুধ দেয়। কখনও একজন আরেকজনকে ঘৃণা করতে দেখছেন? বিপদে-আপদে একজন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের পাশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ গিয়ে দাঁড়াচ্ছেন। আমাদের দেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এখন মডেল। তাহলে কেন আমাদের মাঝে এসব বিভ্রান্তমূলক শব্দ বলে আমাদের বন্ধনটাকে আরও দুর্বল করে দিচ্ছে।

তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে উসকানি তৈরির আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করে পুলিশ সুপার বলেন, এখন এ.আই দিয়ে পূজামন্ডপে হামলা বা মূর্তি ভাঙচুরের ছবি ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এরকম ভিডিও দেখলে আগে যাচাই-বাছাই করে নেবেন। তারা এটা নিয়ে আপনাদের ভিতেরর সম্পর্কের অবনতি ঘটাতে চায়। সামাজিক বন্ধন দূর্বল করতে চায়। এই সমস্ত ব্যক্তিরা সোচ্ছার এবার। এই সময় তারা এটা ইউজ করবে। পূজাকে কেন্দ্র করে আপনারা এটা ব্যাপক আকারে দেখতে পারবেন। তারা প্রিপারেশন নিচ্ছে। আমাদের কাছে তথ্য আছে। এরকম প্রোপাগান্ডা দেখলে আগে সত্যতা যাচাই করবেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। যারা আপনাদের উল্টো বিশ্বাস করায়, তারা আগেও শান্তি চায়নি। এখনও চায় না। ভবিষ্যতও চাইবে না।

তিনি বলেন, আমাদের মা-বোনেরা যেন নির্বিঘেœ পূজা উদযাপন করতে পারে, সেজন্য পুলিশ সর্বদা তৎপর থাকবে। যাতে কোনো অবস্থায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগে।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, প্রতিটি থানার ওসিকে যুক্ত করে হায়াটসঅ্যাপ গ্রæপ খোলা হবে। যেকোনো ম্যাসেজ মুহূর্তে পুলিশ সুপারের ফোনে পৌঁছাবে। নাগরিকরা এই গ্রæপের মাধ্যমে সরাসরি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।

থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লার সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমল হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু, জেলা জামায়াতে ইসলামীর সুরা সদস্য মাওলানা আমিনুল ইসলাম, বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাফিজ, বড়লেখা আর্মি ক্যাম্পের ওয়ারেন্ট অফিসার হায়দারুল ইসলাম আকবরী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ফয়সল আহমদ, বর্নি ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, এনসিপির জেলা আহবায়ক তামিম আহমদ, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব, উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রনজিত কুমার পাল, পুজা উদযাপন ঐক্যফ্রন্টের আহবায়ক অ্যাডভোকেট শৈলেশ চন্দ্র রায়, উপজেলা আনসার ভিডিপি প্রশিক্ষক তাহের মিয়া প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় উপজেলার ১০ ইউনিয়ন ও পৌরসভার প্রতিটি সার্বজনীন দূর্গাপুজা মন্ডব কমিটির সভাপতিবৃন্দ তাদের মতামত ব্যক্ত করেন।