বাংলাদেশের পর্যটন নগরী কক্সবাজার-এর অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছে কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন। ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর উদ্বোধন হওয়া এই স্টেশনটি দেশের প্রথম ‘আইকনিক রেলওয়ে স্টেশন’ হিসেবে পরিচিত। এটি দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথের প্রধান টার্মিনাল এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সঙ্গে কক্সবাজারের যোগাযোগকে আরও সহজ ও আরামদায়ক করেছে।

এই স্টেশনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এর অনন্য স্থাপত্যশৈলী। ভবনটির নকশা করা হয়েছে সমুদ্রের ঝিনুক ও মুক্তার আদলে, যা কক্সবাজারের সামুদ্রিক সৌন্দর্যকে প্রতিফলিত করে। বিশাল বাঁকানো ছাদ, আধুনিক কাচের ব্যবহার এবং নান্দনিক আলোকসজ্জা স্টেশনটিকে দূর থেকেই দৃষ্টিনন্দন করে তুলেছে।
প্রায় ২৯ একর জায়গাজুড়ে নির্মিত এই আধুনিক স্টেশনে রয়েছে প্রশস্ত ওয়েটিং রুম, টিকিট কাউন্টার, এসকেলেটর, লিফট, শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র, নামাজের স্থান, তথ্যকেন্দ্র, রেস্টুরেন্ট, লাগেজ লকার এবং পর্যাপ্ত পার্কিং সুবিধা।

দিনের আলোতে স্টেশনটির সাদা ঝিনুকাকৃতির অবয়ব যেমন মুগ্ধ করে, তেমনি রাতের রঙিন আলোকসজ্জায় এটি যেন এক শিল্পকর্মে পরিণত হয়। অনেক পর্যটক শুধু ট্রেনে ভ্রমণের জন্যই নয়, এই স্থাপত্য সৌন্দর্য উপভোগ করতেও স্টেশনটি দেখতে যান।
কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনের এই দৃশ্যগুলো ক্যামেরাবন্দি করেছেন ষাটমাকন্ঠ পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া বিভাগের প্রধান আফজাল হোসেন রুমেল।
