০১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চলন্ত ট্রেনে যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ Logo গ্রীনহিল স্টেট কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দিলেন মো. নিয়াজ উদ্দীন Logo হারিয়ে যায়নি চিঠি, বদলেছে শুধু রূপ : মাটির ফলক থেকে ডিজিটাল ইনবক্স Logo দুর্গম এলাকায় ডিজিটাল নজরদারি বাড়াবে বিজিবি, তৈরি হবে নিজস্ব ড্রোন সক্ষমতা- সিলেটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo অ্যান্টিবায়োটিক সংকট: ওষুধহীন অন্ধকার যুগের পথে মানবসভ্যতা Logo এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম নারী সার্ফার ফাতিমা Logo প্যারিসে টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং মেলা ২০২৬ শুরু, উদ্বোধন হলো বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন Logo গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে দুর্বার গতিতে ছুটে চলেছে বিএনপি Logo সিলেটে মানবাধিকারকর্মী মিনহাজ সামাদ চৌধুরী নিখোঁজ Logo বড়লেখায় বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে দুই দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

স্কলার্সহোম কলেজ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:৫৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • / 94
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, প্রতিভা ও সাংস্কৃতিক চর্চার বিকাশে স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে অনুষ্ঠিত হয়েছে দুই দিনব্যাপী ‘সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২৬’। ১৯ ও ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত ও প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পরিণত হয় আনন্দঘন সাংস্কৃতিক উৎসবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্কলার্সহোমের একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর জয়নুল আবেদিন চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক।

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি, অধ্যক্ষ ও শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন কলেজের একাডেমিক ইনচার্জ প্রভাষক কাজী শাখাওয়াত হোসেন।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক বলেন, “সংস্কৃতি মানুষের আত্মপরিচয়ের অন্যতম প্রধান অংশ। শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননশীলতার বিকাশের পাশাপাশি নিজস্ব সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে তাদের গভীরভাবে পরিচিত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সাংস্কৃতিক শিকড়কে ধারণ করে আধুনিক ও বিশ্বমানের জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলতে হবে। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড শিক্ষার্থীদের মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

দুই দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় লোকসংগীত, রবীন্দ্রসংগীত, দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্যসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেয় শিক্ষার্থীরা। প্রতিযোগিতাকে ঘিরে তাদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি ও অনুশীলনের ছাপও ফুটে ওঠে পরিবেশনাগুলোতে।

লোকসংগীতের মাটির সুর, রবীন্দ্রসংগীতের আবেশ, দেশাত্মবোধক গানের উদ্দীপনা এবং নৃত্যের নান্দনিক পরিবেশনা উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানস্থলে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শাখার উপাধ্যক্ষ নাহিদা খান, কলেজের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকেরা জানান, শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ, সৃজনশীলতা বৃদ্ধি এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে আরও উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম নিজস্ব সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি সৃজনশীল ও মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার সুযোগ পাবে।

অনুষ্ঠানের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন সিনিয়র প্রভাষক রনজিত পুরকায়স্থ, প্রভাষক (সংগীত) জুঁই তালুকদার এবং প্রভাষক উমা সরকার।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানানো হয় এবং বিভিন্ন বিভাগের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে সাংস্কৃতিক আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে দুই দিনব্যাপী এ আয়োজনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে দুই দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

আপডেট সময় : ১০:৫৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, প্রতিভা ও সাংস্কৃতিক চর্চার বিকাশে স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে অনুষ্ঠিত হয়েছে দুই দিনব্যাপী ‘সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২৬’। ১৯ ও ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত ও প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পরিণত হয় আনন্দঘন সাংস্কৃতিক উৎসবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্কলার্সহোমের একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর জয়নুল আবেদিন চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক।

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি, অধ্যক্ষ ও শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন কলেজের একাডেমিক ইনচার্জ প্রভাষক কাজী শাখাওয়াত হোসেন।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক বলেন, “সংস্কৃতি মানুষের আত্মপরিচয়ের অন্যতম প্রধান অংশ। শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননশীলতার বিকাশের পাশাপাশি নিজস্ব সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে তাদের গভীরভাবে পরিচিত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সাংস্কৃতিক শিকড়কে ধারণ করে আধুনিক ও বিশ্বমানের জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলতে হবে। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড শিক্ষার্থীদের মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

দুই দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় লোকসংগীত, রবীন্দ্রসংগীত, দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্যসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেয় শিক্ষার্থীরা। প্রতিযোগিতাকে ঘিরে তাদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি ও অনুশীলনের ছাপও ফুটে ওঠে পরিবেশনাগুলোতে।

লোকসংগীতের মাটির সুর, রবীন্দ্রসংগীতের আবেশ, দেশাত্মবোধক গানের উদ্দীপনা এবং নৃত্যের নান্দনিক পরিবেশনা উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানস্থলে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শাখার উপাধ্যক্ষ নাহিদা খান, কলেজের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকেরা জানান, শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ, সৃজনশীলতা বৃদ্ধি এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে আরও উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম নিজস্ব সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি সৃজনশীল ও মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার সুযোগ পাবে।

অনুষ্ঠানের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন সিনিয়র প্রভাষক রনজিত পুরকায়স্থ, প্রভাষক (সংগীত) জুঁই তালুকদার এবং প্রভাষক উমা সরকার।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানানো হয় এবং বিভিন্ন বিভাগের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে সাংস্কৃতিক আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে দুই দিনব্যাপী এ আয়োজনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।