লিডিং ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ক্লাবের কমিটি হস্তান্তর ও বিদায় অনুষ্ঠান
- আপডেট সময় : ০৭:৫৮:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
- / 173
লিডিং ইউনিভার্সিটির বিতর্কবিষয়ক সংগঠন লিডিং ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ক্লাব (এলইউডিসি)-এর কমিটি হস্তান্তর ও বিদায়ী কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। পূর্ববর্তী কমিটির মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় ক্লাবের সদস্যদের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এলইউডিসি-এর অ্যাডভাইজার ও লিডিং ইউনিভার্সিটির সিএসই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জামানীর রহমান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিদায়ী কমিটির প্রেসিডেন্ট তানভীর আজাদ ইবন, জেনারেল সেক্রেটারি পুষ্পিতা ধর, ভাইস-প্রেসিডেন্ট হারিস রহমান অন্তর, জয়েন্ট সেক্রেটারি অনুপ কুমার শীলসহ ক্লাবের অন্যান্য সদস্য।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যে সহকারী অধ্যাপক মো. জামানীর রহমান বিতর্কচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিতর্ক একজন শিক্ষার্থীকে পাবলিক স্পিকিং, যুক্তিনির্ভর বক্তব্য উপস্থাপন এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজের মতামত প্রকাশের মতো গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করে। তিনি বিদায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে ক্লাবের বিভিন্ন কার্যক্রমের স্মৃতিচারণ করেন এবং তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য কামনা করেন। একই সঙ্গে আগামী দিনে আরও দক্ষ ও নতুন বিতার্কিক তৈরি করতে ক্লাবের সদস্যদের সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
বিদায়ী কমিটির ভাইস-প্রেসিডেন্ট হারিস রহমান অন্তর ক্লাবের কার্যক্রমের মাধ্যমে সদস্যদের দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ক্লাব থেকে অর্জিত দক্ষতা যেন সদস্যদের ভবিষ্যৎ শিক্ষা ও ক্যারিয়ারে কার্যকর ভূমিকা রাখে, সেদিকে সবাইকে মনোযোগী হতে হবে।
জয়েন্ট সেক্রেটারি অনুপ কুমার শীল এলইউডিসি-এর উন্নয়নে সদস্যদের আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
বিদায়ী কমিটির জেনারেল সেক্রেটারি পুষ্পিতা ধর তাঁর বক্তব্যে ক্লাবজীবনের বিভিন্ন স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি ক্লাবে যোগদানের গল্প, বিভিন্ন কার্যক্রমে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং সহকর্মী ও সদস্যদের কাছ থেকে পাওয়া সহযোগিতার কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ক্লাবের সঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে তিনি অনেক কিছু শিখেছেন এবং এলইউডিসি-এর সঙ্গে তাঁর পথচলা জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।
বিদায়ী কমিটির প্রেসিডেন্ট তানভীর আজাদ ইবন নেতৃত্বকে দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তিনি নিজেকে ক্লাবের একজন অর্গানাইজার হিসেবে দেখেন এবং দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তাঁর ওপর অর্পিত কাজগুলো সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছেন। বক্তব্যে তিনি ক্লাবের সঙ্গে নিজের পথচলা, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, আশা, অর্জন ও ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে ক্লাবের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সদস্যদের সংগঠনের উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আগামী দিনে এলইউডিসি আরও এগিয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে ক্লাবের সদস্য অনামিকা পাল ও সৌরজিৎ দাস সংগীত পরিবেশন করেন। তাদের পরিবেশনায় বিদায়ী কমিটির সংবর্ধনা ও বিদায় অনুষ্ঠানটি আরও আনন্দঘন ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিদায়ী কমিটির সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানানো হয় এবং এলইউডিসি-এর পরবর্তী কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।















