০১:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চলন্ত ট্রেনে যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ Logo গ্রীনহিল স্টেট কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দিলেন মো. নিয়াজ উদ্দীন Logo হারিয়ে যায়নি চিঠি, বদলেছে শুধু রূপ : মাটির ফলক থেকে ডিজিটাল ইনবক্স Logo দুর্গম এলাকায় ডিজিটাল নজরদারি বাড়াবে বিজিবি, তৈরি হবে নিজস্ব ড্রোন সক্ষমতা- সিলেটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo অ্যান্টিবায়োটিক সংকট: ওষুধহীন অন্ধকার যুগের পথে মানবসভ্যতা Logo এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম নারী সার্ফার ফাতিমা Logo প্যারিসে টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং মেলা ২০২৬ শুরু, উদ্বোধন হলো বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন Logo গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে দুর্বার গতিতে ছুটে চলেছে বিএনপি Logo সিলেটে মানবাধিকারকর্মী মিনহাজ সামাদ চৌধুরী নিখোঁজ Logo বড়লেখায় বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

ইউজিসির উদ্যোগে ৩০ বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র

শেখ ফয়সাল আহমদ
  • আপডেট সময় : ০৭:০২:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • / 74
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বহুভাষিক দক্ষতা বাড়ানো, আন্তর্জাতিক কর্মবাজারে প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তোলা এবং দক্ষ জনশক্তি উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশের ৩০টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে এ কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কমিশন।

বুধবার (১৯ আগস্ট) ইউজিসিতে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক সভায় এ তথ্য জানান ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। সভায় ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব, অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল-মামুন, অধ্যাপক মো. মেহেদী হাসান খান, অধ্যাপক ড. মো. আসলাম হোসেন, অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ, ইউজিসি সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলামসহ কমিশনের বিভিন্ন বিভাগের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের অগ্রাধিকার ও ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের চাহিদা বিবেচনায় বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের তৃতীয় ভাষা শেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভাষাগত ও পেশাগত দক্ষতা বাড়বে, আন্তর্জাতিক যোগাযোগের সক্ষমতা তৈরি হবে এবং দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

কর্মসূচির আওতায় আরবি, চীনা, জাপানি, কোরীয়, ফরাসি, জার্মান, স্প্যানিশ ও ইতালীয়- এই আটটি ভাষা অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে আরবি, জাপানি, কোরীয়, চীনা ও ইতালীয় ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি সভায় আলোচনা হয়েছে।

তবে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন ভাষা শেখানো হবে, তা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের জনশক্তির চাহিদা, স্থানীয় জনগণের আগ্রহ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতা, প্রয়োজনীয় জনবল ও বিদ্যমান অবকাঠামো বিবেচনায় নির্ধারণ করা হবে।

দেশের আট বিভাগের কোনো অঞ্চল যেন এ কর্মসূচির বাইরে না থাকে, সে লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন, ভাষা নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় রিসোর্স ও লোকেশন ম্যাপিংয়ের জন্য গঠিত কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।

অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্যসহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক উপাত্ত বিশ্লেষণ করে কোন অঞ্চলে কোন ভাষার চাহিদা বেশি, তা চিহ্নিত করা হবে। এরপর চাহিদাভিত্তিক ভাষা নির্বাচন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক কার্যক্রমের বাস্তবসম্মত ম্যাপিং তৈরি করা হবে।

প্রাথমিক পর্যায়ে নির্বাচিত ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন অথবা বিদ্যমান কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা ও অবকাঠামো আধুনিকায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে দেশের ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বাধিক ১৩টি ভাষা শেখার সুযোগ রয়েছে।

বিদ্যমান কেন্দ্রগুলোর পরিচালিত কোর্স, প্রশিক্ষক ও জনবল কাঠামো এবং অবকাঠামোগত সুবিধা পর্যালোচনার পাশাপাশি কোথায় নতুন কেন্দ্র স্থাপন প্রয়োজন, সেটিও নির্ধারণ করা হবে।

কর্মসূচি সফল করতে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত ভাষা প্রশিক্ষক তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়েছে ইউজিসি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রশিক্ষক দল গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অভিজ্ঞ ভাষা বিশেষজ্ঞ ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, ভাষা শিক্ষা কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম তদারকি ও শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে কমিশন প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করবে। কেন্দ্রগুলোর জন্য জনবল কাঠামো প্রণয়ন, আধুনিক ভাষা ল্যাব স্থাপন এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা উপকরণ ব্যবহারে সহযোগিতা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, এসব কেন্দ্র যাতে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত না হয় এবং শিক্ষার্থীরা সাশ্রয়ী খরচে মানসম্পন্ন ভাষা শিক্ষা নিতে পারে, সে বিষয়েও নজরদারি থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আগ্রহী অন্য ব্যক্তিরাও নির্ধারিত নীতিমালার আওতায় সাশ্রয়ী মূল্যে ভাষা শেখার সুযোগ পাবেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক জ্ঞান ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করছে ইউজিসি।

এ উদ্যোগের সুষ্ঠু, সমন্বিত ও টেকসই বাস্তবায়নের জন্য ইউজিসির মাধ্যমে একটি অভিন্ন নীতিমালা ও পরিচালন কাঠামো প্রণয়ন করা হবে। নীতিমালায় ভাষা নির্বাচন, কোর্স পরিচালনা, প্রশিক্ষক নিয়োগ ও উন্নয়ন, শিক্ষার মান নিশ্চিতকরণ, অবকাঠামো, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কেন্দ্রগুলোর তদারকিসহ প্রয়োজনীয় বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ইউজিসির উদ্যোগে ৩০ বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র

আপডেট সময় : ০৭:০২:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বহুভাষিক দক্ষতা বাড়ানো, আন্তর্জাতিক কর্মবাজারে প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তোলা এবং দক্ষ জনশক্তি উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশের ৩০টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে এ কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কমিশন।

বুধবার (১৯ আগস্ট) ইউজিসিতে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক সভায় এ তথ্য জানান ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। সভায় ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব, অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল-মামুন, অধ্যাপক মো. মেহেদী হাসান খান, অধ্যাপক ড. মো. আসলাম হোসেন, অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ, ইউজিসি সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলামসহ কমিশনের বিভিন্ন বিভাগের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের অগ্রাধিকার ও ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের চাহিদা বিবেচনায় বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের তৃতীয় ভাষা শেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভাষাগত ও পেশাগত দক্ষতা বাড়বে, আন্তর্জাতিক যোগাযোগের সক্ষমতা তৈরি হবে এবং দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

কর্মসূচির আওতায় আরবি, চীনা, জাপানি, কোরীয়, ফরাসি, জার্মান, স্প্যানিশ ও ইতালীয়- এই আটটি ভাষা অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে আরবি, জাপানি, কোরীয়, চীনা ও ইতালীয় ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি সভায় আলোচনা হয়েছে।

তবে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন ভাষা শেখানো হবে, তা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের জনশক্তির চাহিদা, স্থানীয় জনগণের আগ্রহ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতা, প্রয়োজনীয় জনবল ও বিদ্যমান অবকাঠামো বিবেচনায় নির্ধারণ করা হবে।

দেশের আট বিভাগের কোনো অঞ্চল যেন এ কর্মসূচির বাইরে না থাকে, সে লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন, ভাষা নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় রিসোর্স ও লোকেশন ম্যাপিংয়ের জন্য গঠিত কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।

অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্যসহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক উপাত্ত বিশ্লেষণ করে কোন অঞ্চলে কোন ভাষার চাহিদা বেশি, তা চিহ্নিত করা হবে। এরপর চাহিদাভিত্তিক ভাষা নির্বাচন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক কার্যক্রমের বাস্তবসম্মত ম্যাপিং তৈরি করা হবে।

প্রাথমিক পর্যায়ে নির্বাচিত ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন অথবা বিদ্যমান কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা ও অবকাঠামো আধুনিকায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে দেশের ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বাধিক ১৩টি ভাষা শেখার সুযোগ রয়েছে।

বিদ্যমান কেন্দ্রগুলোর পরিচালিত কোর্স, প্রশিক্ষক ও জনবল কাঠামো এবং অবকাঠামোগত সুবিধা পর্যালোচনার পাশাপাশি কোথায় নতুন কেন্দ্র স্থাপন প্রয়োজন, সেটিও নির্ধারণ করা হবে।

কর্মসূচি সফল করতে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত ভাষা প্রশিক্ষক তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়েছে ইউজিসি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রশিক্ষক দল গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অভিজ্ঞ ভাষা বিশেষজ্ঞ ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, ভাষা শিক্ষা কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম তদারকি ও শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে কমিশন প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করবে। কেন্দ্রগুলোর জন্য জনবল কাঠামো প্রণয়ন, আধুনিক ভাষা ল্যাব স্থাপন এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা উপকরণ ব্যবহারে সহযোগিতা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, এসব কেন্দ্র যাতে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত না হয় এবং শিক্ষার্থীরা সাশ্রয়ী খরচে মানসম্পন্ন ভাষা শিক্ষা নিতে পারে, সে বিষয়েও নজরদারি থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আগ্রহী অন্য ব্যক্তিরাও নির্ধারিত নীতিমালার আওতায় সাশ্রয়ী মূল্যে ভাষা শেখার সুযোগ পাবেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক জ্ঞান ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করছে ইউজিসি।

এ উদ্যোগের সুষ্ঠু, সমন্বিত ও টেকসই বাস্তবায়নের জন্য ইউজিসির মাধ্যমে একটি অভিন্ন নীতিমালা ও পরিচালন কাঠামো প্রণয়ন করা হবে। নীতিমালায় ভাষা নির্বাচন, কোর্স পরিচালনা, প্রশিক্ষক নিয়োগ ও উন্নয়ন, শিক্ষার মান নিশ্চিতকরণ, অবকাঠামো, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কেন্দ্রগুলোর তদারকিসহ প্রয়োজনীয় বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।