০১:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চলন্ত ট্রেনে যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ Logo গ্রীনহিল স্টেট কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দিলেন মো. নিয়াজ উদ্দীন Logo হারিয়ে যায়নি চিঠি, বদলেছে শুধু রূপ : মাটির ফলক থেকে ডিজিটাল ইনবক্স Logo দুর্গম এলাকায় ডিজিটাল নজরদারি বাড়াবে বিজিবি, তৈরি হবে নিজস্ব ড্রোন সক্ষমতা- সিলেটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo অ্যান্টিবায়োটিক সংকট: ওষুধহীন অন্ধকার যুগের পথে মানবসভ্যতা Logo এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম নারী সার্ফার ফাতিমা Logo প্যারিসে টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং মেলা ২০২৬ শুরু, উদ্বোধন হলো বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন Logo গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে দুর্বার গতিতে ছুটে চলেছে বিএনপি Logo সিলেটে মানবাধিকারকর্মী মিনহাজ সামাদ চৌধুরী নিখোঁজ Logo বড়লেখায় বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

বাংলাদেশের নিম্ন-কার্বন উন্নয়নে সমগ্র সমাজের অংশগ্রহণের আহ্বান জার্মান রাষ্ট্রদূতের

জামিউল হাসান আরাফ, সিলেট
  • আপডেট সময় : ০৫:৩১:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / 112
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি নিম্ন-কার্বন ও জলবায়ু-সহনশীল উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার, ব্যবসায়ী সমাজ, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও তরুণদের সমন্বয়ে ‘সমগ্র সমাজের অংশগ্রহণমূলক’ উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের পথ নির্ধারণে সমাজের সব অংশীজনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টেকসই উন্নয়নের জন্য সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

১৭ আগস্ট (সোমবার) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) অনুষ্ঠিত ‘University Dialogue on People-led LT-LEDS: Bangladesh’s Low Carbon Future’ শীর্ষক সংলাপে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। Youth for NDCs আয়োজিত এ সংলাপের সহযোগী আয়োজক ছিল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এতে সহায়তা করে German Embassy Dhaka এবং ক্যাম্পাস পার্টনার হিসেবে ছিল DSS।

ড. রুডিগার লোটজ বলেন, আগামী কয়েক দশকে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির দেশে পরিণত হওয়ার পথে রয়েছে। দেশের অর্থনীতি যত বেশি সম্প্রসারিত ও বৈচিত্র্যময় হবে, জ্বালানির চাহিদাও তত বাড়বে। বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট বহিরাগত উৎসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার ঝুঁকি স্পষ্ট করেছে।

তিনি বলেন, জ্বালানি রূপান্তরের অংশ হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। এ ক্ষেত্রে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ বা রুফটপ সোলারের মতো উদ্যোগগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জার্মান রাষ্ট্রদূত জলবায়ু কার্যক্রমে তরুণদের সম্পৃক্ততার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ের সিদ্ধান্তের প্রভাব ভবিষ্যতে তরুণ প্রজন্মকেই বহন করতে হবে। তাই স্কুল ও স্থানীয় পর্যায় থেকেই জলবায়ু শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশের ঐতিহাসিক দায় কম হলেও দেশটি এর অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি। একটি জলবায়ু-সহনশীল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে অর্থায়ন, প্রযুক্তি, দক্ষতা উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি খাতে সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের পাশে থাকার জার্মানির প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

সংলাপে প্রায় ২২০ জন শিক্ষার্থী ও তরুণ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি নিম্ন-নির্গমন উন্নয়ন পথ (LT-LEDS) নিয়ে আলোচনা হয়। প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও ডেটা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কীভাবে বাংলাদেশের জলবায়ু পরিকল্পনাকে আরও কার্যকর করা যায়, তা নিয়ে মতবিনিময় করেন অংশগ্রহণকারীরা।

‘Powering Bangladesh’s Low-Carbon and Climate-Resilient Future through Technology, Innovation, and Data Systems’ শীর্ষক বিশেষজ্ঞ প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন জার্মান দূতাবাস ঢাকার উন্নয়ন সহযোগিতা বিভাগের প্রধান উলরিখ ক্লেপম্যান, শাবিপ্রবির পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আমদাদুল হক, শাবিপ্রবির স্কুল অব লাইফ সায়েন্সেসের ডিন ড. মো. ফারুক মিয়া এবং Global Strategic Communications Council-এর কান্ট্রি লিড ফারাহ আনজুম।

প্যানেল আলোচনায় LT-LEDS বাস্তবায়নের জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কারিগরি কমিটি গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি ডেটা ব্যবস্থাপনা, বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক গবেষণা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি উদ্ভাবন, সুশাসন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং তরুণদের নেতৃত্বে জলবায়ু সমাধানের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

Youth for NDCs-এর নির্বাহী পরিচালক আমানউল্লাহ পরাগ বলেন, বাংলাদেশের LT-LEDS কোনো সীমিত পরিসরে তৈরি একটি কারিগরি নথি হওয়া উচিত নয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্ঞান, জনগণের বাস্তব অভিজ্ঞতা, তরুণদের প্রত্যাশা এবং ২০৫০ সালের উন্নয়ন লক্ষ্য প্রতিফলিত হতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি নিম্ন-কার্বন উন্নয়ন শুধু নিঃসরণ কমানোর বিষয় নয়; এর সঙ্গে জ্বালানি নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা, জলবায়ু সহনশীলতা এবং ন্যায়বিচারের বিষয়গুলোও গভীরভাবে জড়িত।

সংলাপের অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারীদের চারটি বিষয়ভিত্তিক দলে ভাগ করা হয়। দলগুলো জলবায়ু তথ্য ও প্রমাণভিত্তিক পরিকল্পনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও স্মার্ট এনার্জি সিস্টেম, ডিজিটাল উদ্ভাবন ও সবুজ কর্মসংস্থান এবং জীবনবিজ্ঞান, প্রকৃতি ও জলবায়ু সহনশীলতা নিয়ে আলোচনা করে।

প্রতিটি দল নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা চিহ্নিত করে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি নিম্ন-কার্বন উন্নয়ন পরিকল্পনার জন্য বাস্তবভিত্তিক সুপারিশ প্রদান করে।

শাবিপ্রবিতে অনুষ্ঠিত এ সংলাপ থেকে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো ‘People-led LT-LEDS Recommendations Report’-এ অন্তর্ভুক্ত করা হবে। প্রতিবেদনের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জলবায়ু ও উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রক্রিয়ায় তরুণ, শিক্ষাবিদ এবং বিভিন্ন অংশীজনের মতামত ও অভিজ্ঞতাকে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বাংলাদেশের নিম্ন-কার্বন উন্নয়নে সমগ্র সমাজের অংশগ্রহণের আহ্বান জার্মান রাষ্ট্রদূতের

আপডেট সময় : ০৫:৩১:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি নিম্ন-কার্বন ও জলবায়ু-সহনশীল উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার, ব্যবসায়ী সমাজ, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও তরুণদের সমন্বয়ে ‘সমগ্র সমাজের অংশগ্রহণমূলক’ উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের পথ নির্ধারণে সমাজের সব অংশীজনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টেকসই উন্নয়নের জন্য সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

১৭ আগস্ট (সোমবার) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) অনুষ্ঠিত ‘University Dialogue on People-led LT-LEDS: Bangladesh’s Low Carbon Future’ শীর্ষক সংলাপে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। Youth for NDCs আয়োজিত এ সংলাপের সহযোগী আয়োজক ছিল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এতে সহায়তা করে German Embassy Dhaka এবং ক্যাম্পাস পার্টনার হিসেবে ছিল DSS।

ড. রুডিগার লোটজ বলেন, আগামী কয়েক দশকে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির দেশে পরিণত হওয়ার পথে রয়েছে। দেশের অর্থনীতি যত বেশি সম্প্রসারিত ও বৈচিত্র্যময় হবে, জ্বালানির চাহিদাও তত বাড়বে। বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট বহিরাগত উৎসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার ঝুঁকি স্পষ্ট করেছে।

তিনি বলেন, জ্বালানি রূপান্তরের অংশ হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। এ ক্ষেত্রে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ বা রুফটপ সোলারের মতো উদ্যোগগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জার্মান রাষ্ট্রদূত জলবায়ু কার্যক্রমে তরুণদের সম্পৃক্ততার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ের সিদ্ধান্তের প্রভাব ভবিষ্যতে তরুণ প্রজন্মকেই বহন করতে হবে। তাই স্কুল ও স্থানীয় পর্যায় থেকেই জলবায়ু শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশের ঐতিহাসিক দায় কম হলেও দেশটি এর অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি। একটি জলবায়ু-সহনশীল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে অর্থায়ন, প্রযুক্তি, দক্ষতা উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি খাতে সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের পাশে থাকার জার্মানির প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

সংলাপে প্রায় ২২০ জন শিক্ষার্থী ও তরুণ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি নিম্ন-নির্গমন উন্নয়ন পথ (LT-LEDS) নিয়ে আলোচনা হয়। প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও ডেটা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কীভাবে বাংলাদেশের জলবায়ু পরিকল্পনাকে আরও কার্যকর করা যায়, তা নিয়ে মতবিনিময় করেন অংশগ্রহণকারীরা।

‘Powering Bangladesh’s Low-Carbon and Climate-Resilient Future through Technology, Innovation, and Data Systems’ শীর্ষক বিশেষজ্ঞ প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন জার্মান দূতাবাস ঢাকার উন্নয়ন সহযোগিতা বিভাগের প্রধান উলরিখ ক্লেপম্যান, শাবিপ্রবির পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আমদাদুল হক, শাবিপ্রবির স্কুল অব লাইফ সায়েন্সেসের ডিন ড. মো. ফারুক মিয়া এবং Global Strategic Communications Council-এর কান্ট্রি লিড ফারাহ আনজুম।

প্যানেল আলোচনায় LT-LEDS বাস্তবায়নের জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কারিগরি কমিটি গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি ডেটা ব্যবস্থাপনা, বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক গবেষণা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি উদ্ভাবন, সুশাসন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং তরুণদের নেতৃত্বে জলবায়ু সমাধানের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

Youth for NDCs-এর নির্বাহী পরিচালক আমানউল্লাহ পরাগ বলেন, বাংলাদেশের LT-LEDS কোনো সীমিত পরিসরে তৈরি একটি কারিগরি নথি হওয়া উচিত নয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্ঞান, জনগণের বাস্তব অভিজ্ঞতা, তরুণদের প্রত্যাশা এবং ২০৫০ সালের উন্নয়ন লক্ষ্য প্রতিফলিত হতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি নিম্ন-কার্বন উন্নয়ন শুধু নিঃসরণ কমানোর বিষয় নয়; এর সঙ্গে জ্বালানি নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা, জলবায়ু সহনশীলতা এবং ন্যায়বিচারের বিষয়গুলোও গভীরভাবে জড়িত।

সংলাপের অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারীদের চারটি বিষয়ভিত্তিক দলে ভাগ করা হয়। দলগুলো জলবায়ু তথ্য ও প্রমাণভিত্তিক পরিকল্পনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও স্মার্ট এনার্জি সিস্টেম, ডিজিটাল উদ্ভাবন ও সবুজ কর্মসংস্থান এবং জীবনবিজ্ঞান, প্রকৃতি ও জলবায়ু সহনশীলতা নিয়ে আলোচনা করে।

প্রতিটি দল নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা চিহ্নিত করে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি নিম্ন-কার্বন উন্নয়ন পরিকল্পনার জন্য বাস্তবভিত্তিক সুপারিশ প্রদান করে।

শাবিপ্রবিতে অনুষ্ঠিত এ সংলাপ থেকে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো ‘People-led LT-LEDS Recommendations Report’-এ অন্তর্ভুক্ত করা হবে। প্রতিবেদনের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জলবায়ু ও উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রক্রিয়ায় তরুণ, শিক্ষাবিদ এবং বিভিন্ন অংশীজনের মতামত ও অভিজ্ঞতাকে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করা।