পদ্মার পাড়ে প্রযুক্তির উচ্ছ্বাস
বৃষ্টি-ঝড়েও থামেনি রোবট বানানোর স্বপ্ন
- আপডেট সময় : ১০:৪৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
- / 100
পদ্মার পাড়ের শহর রাজশাহী। ১১ আগস্ট সকাল থেকেই ছিল বৃষ্টি, ঝড় আর বিদ্যুৎ বিভ্রাট। কিন্তু কোনো কিছুই শিক্ষার্থীদের আগ্রহে ভাটা ফেলতে পারেনি। সিরোইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে সেদিন যেন প্রযুক্তির ছোট্ট এক কর্মশালা বসেছিল। টেবিলজুড়ে ছড়িয়ে ছিল আরডুইনো, সেন্সর, মোটর ও ডিসপ্লে। আর সেগুলো নিয়েই ব্যস্ত একদল কৌতূহলী শিক্ষার্থী।
কেউ সার্কিট জোড়া দিচ্ছে, কেউ কম্পিউটারে কোড লিখছে, আবার কেউ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে- কখন তার তৈরি রোবটটি নড়বে, সাড়া দেবে। ভুল হচ্ছে, আবার সেই ভুল ঠিক করে নতুন করে চেষ্টা চলছে। শেখার এই পুরো প্রক্রিয়াটিই ছিল আনন্দ আর কৌতূহলে ভরা।

শুধু রোবট তৈরি নয়, কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে রোবটিক্সের ভবিষ্যৎ, আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড এবং আইআরও বাংলাদেশ ওপেন ২০২৬ নিয়ে। প্রযুক্তির নানা বিষয় শেখার পাশাপাশি সকার রোবটের খেলায় মেতে ওঠে শিক্ষার্থীরা। শেখা আর আনন্দ- দুটোই মিলেমিশে তৈরি হয় অন্যরকম এক অভিজ্ঞতা।
দেশের আরও বেশি শিক্ষার্থীর কাছে রোবটিক্সের সম্ভাবনা ও আইআরও বাংলাদেশ ওপেন ২০২৬-এর সুযোগ পৌঁছে দিতে বাংলাদেশের আটটি বিভাগে পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হবে রোবটিক্স অ্যাক্টিভেশন কর্মশালা। এর লক্ষ্য শুধু রোবট বানানো শেখানো নয়; বরং শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে দক্ষ করে তোলা, প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং নতুন কিছু উদ্ভাবনের সাহস জোগানো।
পদ্মার স্রোতের মতোই ছড়িয়ে পড়ুক এই শেখার আগ্রহ। আজ যে শিক্ষার্থী একটি ছোট সার্কিট জোড়া দিচ্ছে, যে রোবটটিকে নড়ানোর জন্য বারবার কোড লিখছে- হয়তো একদিন তার হাত ধরেই তৈরি হবে বড় কোনো উদ্ভাবন। আজকের এই ছোট্ট চেষ্টা থেকেই শুরু হতে পারে ভবিষ্যতের বড় স্বপ্নের যাত্রা।















