০২:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চলন্ত ট্রেনে যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ Logo গ্রীনহিল স্টেট কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দিলেন মো. নিয়াজ উদ্দীন Logo হারিয়ে যায়নি চিঠি, বদলেছে শুধু রূপ : মাটির ফলক থেকে ডিজিটাল ইনবক্স Logo দুর্গম এলাকায় ডিজিটাল নজরদারি বাড়াবে বিজিবি, তৈরি হবে নিজস্ব ড্রোন সক্ষমতা- সিলেটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo অ্যান্টিবায়োটিক সংকট: ওষুধহীন অন্ধকার যুগের পথে মানবসভ্যতা Logo এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম নারী সার্ফার ফাতিমা Logo প্যারিসে টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং মেলা ২০২৬ শুরু, উদ্বোধন হলো বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন Logo গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে দুর্বার গতিতে ছুটে চলেছে বিএনপি Logo সিলেটে মানবাধিকারকর্মী মিনহাজ সামাদ চৌধুরী নিখোঁজ Logo বড়লেখায় বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে সুপারিশবঞ্চিত ৯,৮৪২ জনের নিয়োগ ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে

ক‍্যাম্পাস কন্ঠ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:২৭:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • / 175
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হলেও নিয়োগের জন্য সুপারিশ না পাওয়া ৯ হাজার ৮৪২ জনকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাঁদের পছন্দ অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সুযোগ দিতে প্রয়োজনীয় পরিপত্র বা প্রজ্ঞাপন সংশোধন কিংবা জারি করা হবে।

গত ৩ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আলিফ রুদাবাসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভাটির কার্যবিবরণী অনুযায়ী, শূন্যপদ না থাকায় ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ ৯ হাজার ৮৪২ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়নি। তাঁদের নিয়োগের লক্ষ্যে বিদ্যমান শূন্যপদ থেকে ৯ হাজার ৮৪২টি পদ সংরক্ষণ করে অবশিষ্ট পদে নিয়োগের জন্য ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তাব করা হয়েছে।

কার্যবিবরণীতে আরও বলা হয়েছে, ১৮তম নিবন্ধনে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তাঁদের পছন্দ অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দিতে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় পরিপত্র বা প্রজ্ঞাপন সংশোধন অথবা জারি করতে হবে।

এনটিআরসিএর কাজ সীমিত হবে নিবন্ধন ও প্রত্যয়নে

সভায় এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান জানান, ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০৫’-এর আওতায় প্রণীত ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রত্যয়ন বিধিমালা, ২০০৬’ অনুযায়ী প্রতি পঞ্জিকা বছরে অন্তত একবার শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নেওয়ার বিধান রয়েছে। সর্বশেষ ২০২৩ সালে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। এ কারণে ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রয়োজন রয়েছে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়।

সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ২০০৫ সাল থেকে ২০১৫ সালের আগে এনটিআরসিএ মূলত নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করত। ২০১৫ সালের পর প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশের দায়িত্ব দেওয়ার পর বিভিন্ন জটিলতা, মামলা ও অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, এনটিআরসিএর বর্তমান অচলাবস্থা নিরসনে প্রতিষ্ঠানটিকে আগের মতো শুধু নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যেতে পারে। প্রত্যয়ন পাওয়া শিক্ষকদের সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে বাছাই করে নিয়োগ দেওয়া হলে বিদ্যমান সমস্যার সমাধান সম্ভব।

কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা শিক্ষামন্ত্রীর এ মতের সঙ্গে একমত পোষণ করেন।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০৫’ অনুযায়ী এখন থেকে এনটিআরসিএ শুধু নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের কাজ করবে। ২০১৫ সালের পরিপত্র অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করবে না। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে সুপারিশবঞ্চিত ৯,৮৪২ জনের নিয়োগ ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে

আপডেট সময় : ০১:২৭:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হলেও নিয়োগের জন্য সুপারিশ না পাওয়া ৯ হাজার ৮৪২ জনকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাঁদের পছন্দ অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সুযোগ দিতে প্রয়োজনীয় পরিপত্র বা প্রজ্ঞাপন সংশোধন কিংবা জারি করা হবে।

গত ৩ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আলিফ রুদাবাসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভাটির কার্যবিবরণী অনুযায়ী, শূন্যপদ না থাকায় ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ ৯ হাজার ৮৪২ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়নি। তাঁদের নিয়োগের লক্ষ্যে বিদ্যমান শূন্যপদ থেকে ৯ হাজার ৮৪২টি পদ সংরক্ষণ করে অবশিষ্ট পদে নিয়োগের জন্য ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তাব করা হয়েছে।

কার্যবিবরণীতে আরও বলা হয়েছে, ১৮তম নিবন্ধনে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তাঁদের পছন্দ অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দিতে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় পরিপত্র বা প্রজ্ঞাপন সংশোধন অথবা জারি করতে হবে।

এনটিআরসিএর কাজ সীমিত হবে নিবন্ধন ও প্রত্যয়নে

সভায় এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান জানান, ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০৫’-এর আওতায় প্রণীত ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রত্যয়ন বিধিমালা, ২০০৬’ অনুযায়ী প্রতি পঞ্জিকা বছরে অন্তত একবার শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নেওয়ার বিধান রয়েছে। সর্বশেষ ২০২৩ সালে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। এ কারণে ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রয়োজন রয়েছে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়।

সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ২০০৫ সাল থেকে ২০১৫ সালের আগে এনটিআরসিএ মূলত নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করত। ২০১৫ সালের পর প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশের দায়িত্ব দেওয়ার পর বিভিন্ন জটিলতা, মামলা ও অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, এনটিআরসিএর বর্তমান অচলাবস্থা নিরসনে প্রতিষ্ঠানটিকে আগের মতো শুধু নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যেতে পারে। প্রত্যয়ন পাওয়া শিক্ষকদের সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে বাছাই করে নিয়োগ দেওয়া হলে বিদ্যমান সমস্যার সমাধান সম্ভব।

কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা শিক্ষামন্ত্রীর এ মতের সঙ্গে একমত পোষণ করেন।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০৫’ অনুযায়ী এখন থেকে এনটিআরসিএ শুধু নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের কাজ করবে। ২০১৫ সালের পরিপত্র অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করবে না। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।