০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্যারিসে উৎসবমুখর পরিবেশে বড়লেখা পৌরসভা ও সদর ইউনিয়নের প্রবাসীদের মিলনমেলা Logo যে কারণে বিশ্বকাপের আগে ইনস্টাগ্রামের সব পোস্ট ডিলিট করেন মাইকেল ওলিসে Logo মৌলভীবাজার চেম্বার অব কমার্সে প্রশাসক নিয়োগ, ১২০ দিনের মধ্যে নির্বাচন Logo বড়লেখায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা Logo ছাত্রশিবির থেকে বিদায় নিলেন সাদিক কায়েম Logo প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বড়লেখা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থীর কৃতিত্ব Logo পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে মৌলভীবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা রাজনগর Logo বারাণসী সফরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, বিএইচইউ’র সঙ্গে একাডেমিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা Logo সুরমা ও কুশিয়ারার পানি বিপৎসীমার ওপরে, সুনামগঞ্জে বন্যা শঙ্কা অব্যাহত Logo ঢাকায় আজও বৃষ্টি, ৪ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে দেরিতে বেড়া নির্মাণ ঐতিহাসিক ভুল: আসামের মুখ্যমন্ত্রী

ষাটমাকন্ঠ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:০৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • / 106
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ সীমান্তঘেঁষা সব রাজ্যে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে দেরি করাকে ‘ঐতিহাসিক ভুল’ আখ্যায়িত করেছেন দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।

তার দাবি, ১৯৮৫ সালের আসাম চুক্তির পর আসাম-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু হলেও আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকা অন্য রাজ্যগুলোকে একইরকম গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। আসাম চুক্তির সীমান্ত ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিধানগুলোর প্রকৃত বা কার্যকর বাস্তবায়ন ২০২৫ সালে শুরু হয়েছে।

সীমান্তের কেবল নির্দিষ্ট কিছু অংশ সুরক্ষিত করার প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলে শর্মা বলেন, “যদি শিলিগুড়ি খোলা থাকে আর মানকাচর বন্ধ থাকে, তাহলে এর অর্থ কী? এগুলো ছিল আমাদের ঐতিহাসিক ভুল।”

টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক খবরে বলা হয়, রোববার নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এ বিষয়ে কথা বলেন।

আসামের সঙ্গে বাংলাদেশের ১৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত থাকার কথা মনে করিয়ে দিয়ে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, “আসাম চুক্তি স্বাক্ষরের পর আমরা বলেছিলাম যে আসাম-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া দেওয়া উচিত এবং সে অনুযায়ী কাজ করা হয়েছিল। কিন্তু আমরা তখন ভাবিনি যে মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং পশ্চিমবঙ্গেও একইভাবে বেড়া দেওয়া দরকার। আমাদের দাবি হওয়া উচিত ছিল, পুরো ১৬০০ কিলোমিটার সীমান্তেই যেন একসঙ্গে বেড়া দেওয়া হয়।”

প্রতিবেশী রাজ্যগুলোর বিশাল সীমান্ত এলাকা বছরের পর বছর ধরে খোলা ছিল, যা আন্তঃসীমান্ত যাতায়াত বা অনুপ্রবেশকে সহজ করে দিয়েছিল বলে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর দাবি। মেঘালয়ে এখন প্রায় ৯০ শতাংশ বেড়া নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে, অন্যদিকে ত্রিপুরায় শেষ হয়েছে প্রায় ৬০ শতাংশ কাজ। মিজোরামেও কাজ এগিয়ে চলছে বলে তথ্য দেন তিনি।

হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলোতে জনসংখ্যাতাত্ত্বিক পরিবর্তনের ওপর একটি কমিটি গঠন করেছে। আমি মনে করি সরকার সীমান্ত এলাকায় জনসংখ্যাতাত্ত্বিক পরিবর্তন নিয়ে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। আমাদের পরামর্শ থাকবে যেন সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী প্রতিটি পরিবারের নাগরিকত্বের মর্যাদা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা হয়।”

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে দেরিতে বেড়া নির্মাণ ঐতিহাসিক ভুল: আসামের মুখ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:০৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ সীমান্তঘেঁষা সব রাজ্যে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে দেরি করাকে ‘ঐতিহাসিক ভুল’ আখ্যায়িত করেছেন দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।

তার দাবি, ১৯৮৫ সালের আসাম চুক্তির পর আসাম-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু হলেও আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকা অন্য রাজ্যগুলোকে একইরকম গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। আসাম চুক্তির সীমান্ত ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিধানগুলোর প্রকৃত বা কার্যকর বাস্তবায়ন ২০২৫ সালে শুরু হয়েছে।

সীমান্তের কেবল নির্দিষ্ট কিছু অংশ সুরক্ষিত করার প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলে শর্মা বলেন, “যদি শিলিগুড়ি খোলা থাকে আর মানকাচর বন্ধ থাকে, তাহলে এর অর্থ কী? এগুলো ছিল আমাদের ঐতিহাসিক ভুল।”

টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক খবরে বলা হয়, রোববার নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এ বিষয়ে কথা বলেন।

আসামের সঙ্গে বাংলাদেশের ১৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত থাকার কথা মনে করিয়ে দিয়ে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, “আসাম চুক্তি স্বাক্ষরের পর আমরা বলেছিলাম যে আসাম-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া দেওয়া উচিত এবং সে অনুযায়ী কাজ করা হয়েছিল। কিন্তু আমরা তখন ভাবিনি যে মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং পশ্চিমবঙ্গেও একইভাবে বেড়া দেওয়া দরকার। আমাদের দাবি হওয়া উচিত ছিল, পুরো ১৬০০ কিলোমিটার সীমান্তেই যেন একসঙ্গে বেড়া দেওয়া হয়।”

প্রতিবেশী রাজ্যগুলোর বিশাল সীমান্ত এলাকা বছরের পর বছর ধরে খোলা ছিল, যা আন্তঃসীমান্ত যাতায়াত বা অনুপ্রবেশকে সহজ করে দিয়েছিল বলে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর দাবি। মেঘালয়ে এখন প্রায় ৯০ শতাংশ বেড়া নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে, অন্যদিকে ত্রিপুরায় শেষ হয়েছে প্রায় ৬০ শতাংশ কাজ। মিজোরামেও কাজ এগিয়ে চলছে বলে তথ্য দেন তিনি।

হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলোতে জনসংখ্যাতাত্ত্বিক পরিবর্তনের ওপর একটি কমিটি গঠন করেছে। আমি মনে করি সরকার সীমান্ত এলাকায় জনসংখ্যাতাত্ত্বিক পরিবর্তন নিয়ে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। আমাদের পরামর্শ থাকবে যেন সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী প্রতিটি পরিবারের নাগরিকত্বের মর্যাদা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা হয়।”