০৯:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

জুড়ীর বেলাগাঁও-কন্টিনালা নদী ভাঙন রোধে চলমান কাজ পরিদর্শনে এমপি নাসির উদ্দিন আহমেদ

ষাটমাকন্ঠ প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:৪৮:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
  • / 40
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার বেলাগাঁও-কন্টিনালা এলাকার নদীর ভাঙন রোধে চলমান প্রতিরক্ষা কাজ পরিদর্শন করেছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ।

পরিদর্শনকালে তিনি নদীভাঙন প্রতিরোধে বাস্তবায়নাধীন কাজের অগ্রগতি ও গুণগত মান ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

এ সময় এমপি নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন, নদীভাঙনের কারণে এলাকার সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কমিয়ে একটি স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তিনি প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সঠিক মান বজায় রেখে সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

স্থানীয়রা জানান, নদীভাঙনের ফলে প্রতিবছর বসতভিটা, কৃষিজমি ও বিভিন্ন স্থাপনা হুমকির মুখে পড়ে। চলমান কাজ দ্রুত শেষ হলে ভাঙনের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জুড়ীর বেলাগাঁও-কন্টিনালা নদী ভাঙন রোধে চলমান কাজ পরিদর্শনে এমপি নাসির উদ্দিন আহমেদ

আপডেট সময় : ০১:৪৮:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার বেলাগাঁও-কন্টিনালা এলাকার নদীর ভাঙন রোধে চলমান প্রতিরক্ষা কাজ পরিদর্শন করেছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ।

পরিদর্শনকালে তিনি নদীভাঙন প্রতিরোধে বাস্তবায়নাধীন কাজের অগ্রগতি ও গুণগত মান ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

এ সময় এমপি নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন, নদীভাঙনের কারণে এলাকার সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কমিয়ে একটি স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তিনি প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সঠিক মান বজায় রেখে সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

স্থানীয়রা জানান, নদীভাঙনের ফলে প্রতিবছর বসতভিটা, কৃষিজমি ও বিভিন্ন স্থাপনা হুমকির মুখে পড়ে। চলমান কাজ দ্রুত শেষ হলে ভাঙনের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।