০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চলন্ত ট্রেনে যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ Logo গ্রীনহিল স্টেট কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দিলেন মো. নিয়াজ উদ্দীন Logo হারিয়ে যায়নি চিঠি, বদলেছে শুধু রূপ : মাটির ফলক থেকে ডিজিটাল ইনবক্স Logo দুর্গম এলাকায় ডিজিটাল নজরদারি বাড়াবে বিজিবি, তৈরি হবে নিজস্ব ড্রোন সক্ষমতা- সিলেটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo অ্যান্টিবায়োটিক সংকট: ওষুধহীন অন্ধকার যুগের পথে মানবসভ্যতা Logo এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম নারী সার্ফার ফাতিমা Logo প্যারিসে টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং মেলা ২০২৬ শুরু, উদ্বোধন হলো বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন Logo গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে দুর্বার গতিতে ছুটে চলেছে বিএনপি Logo সিলেটে মানবাধিকারকর্মী মিনহাজ সামাদ চৌধুরী নিখোঁজ Logo বড়লেখায় বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

কুলাউড়ায় বিবাহ নিবন্ধনে অসঙ্গতির ব্যাখ্যা দিলেন কাজী জুনাইদ আহমদ 

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৪০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / 149
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগে জেলা রেজিস্ট্রারের পরিদর্শনের পর লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন কর্মধা ইউনিয়নের রেজিস্ট্রার মো. জুনাইদ আহমদ। তিনি দাবি করেছেন, দীর্ঘদিনের পুরোনো কাগজপত্রে থাকা ভুলত্রুটি ‘মার্জনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

ইতিমধ্যে কয়েকটি ফেইসবুক পেইজে এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। আমি তাহার সুষ্ঠু ব্যাখা বিশ্লেষণ করছি।

গত ৭ এপ্রিল জেলা রেজিস্ট্রার তাঁর কার্যালয় পরিদর্শন করে বিভিন্ন বিষয়ে অসঙ্গতি চিহ্নিত করে ব্যাখ্যা চান। এর প্রেক্ষিতে দেওয়া লিখিত জবাবে জুনাইদ আহমদ উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী জেলা রেজিস্ট্রারের অডিটে এসব নথি সঠিক বলে স্বাক্ষরিত হয়েছিলো। তিনি আরও জানান, অফিসে একাধিক বিবাহ নিবন্ধন বই রাখা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত এবং সামাজিক প্রয়োজনেই একাধিক বই একসাথে ব্যবহার করা হয়। এটি দেশের অন্যান্য কাজীরাও করে থাকেন। প্রায় ২৩ বছর আগের একটি নিবন্ধন বইয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, সে সময় কাবিন রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে কনের উপস্থিতি সবসময় নিশ্চিত করা হতো না; উকিল ও সাক্ষীর মাধ্যমেই বিবাহ সম্পন্ন হতো। বর্তমানে নিয়ম অনুযায়ী কনের স্বাক্ষর গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। কনের বয়স সংক্রান্ত অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট ঘটনায় তাকে ভুল তথ্য দিয়ে প্রতারিত করা হয়েছিলো। পরবর্তীতে প্রাপ্ত কাগজপত্র অনুযায়ী কনের জন্মতারিখ ২০ জানুয়ারি ১৯৯৮ এবং ১৫ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে বিয়ে নিবন্ধনের সময় তার বয়স ছিলো ১৯ বছর ৯ মাস ২৬ দিন। ফলে এটি বাল্যবিবাহ ছিলো না। তিনি আরও বলেন, একই সাথে ২৩ বছরের পুরোনো কাগজপত্র পর্যালোচনায় কিছু ভুলত্রুটি পাওয়া যেতে পারে, যা মার্জনীয় হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

রেজিস্ট্রার মো. জুনাইদ আহমদ বলেন, অভিযোগকারী দীর্ঘদিন থেকে আমাকে ক্ষতিগ্রস্থ করার চেষ্টা করছে। তার পেছনে অন্য এক কাজীর ইন্ধন রয়েছে।

কাজী জুনাইদ আহমদ

ষাটমা/ম

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কুলাউড়ায় বিবাহ নিবন্ধনে অসঙ্গতির ব্যাখ্যা দিলেন কাজী জুনাইদ আহমদ 

আপডেট সময় : ০৬:৪০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগে জেলা রেজিস্ট্রারের পরিদর্শনের পর লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন কর্মধা ইউনিয়নের রেজিস্ট্রার মো. জুনাইদ আহমদ। তিনি দাবি করেছেন, দীর্ঘদিনের পুরোনো কাগজপত্রে থাকা ভুলত্রুটি ‘মার্জনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

ইতিমধ্যে কয়েকটি ফেইসবুক পেইজে এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। আমি তাহার সুষ্ঠু ব্যাখা বিশ্লেষণ করছি।

গত ৭ এপ্রিল জেলা রেজিস্ট্রার তাঁর কার্যালয় পরিদর্শন করে বিভিন্ন বিষয়ে অসঙ্গতি চিহ্নিত করে ব্যাখ্যা চান। এর প্রেক্ষিতে দেওয়া লিখিত জবাবে জুনাইদ আহমদ উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী জেলা রেজিস্ট্রারের অডিটে এসব নথি সঠিক বলে স্বাক্ষরিত হয়েছিলো। তিনি আরও জানান, অফিসে একাধিক বিবাহ নিবন্ধন বই রাখা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত এবং সামাজিক প্রয়োজনেই একাধিক বই একসাথে ব্যবহার করা হয়। এটি দেশের অন্যান্য কাজীরাও করে থাকেন। প্রায় ২৩ বছর আগের একটি নিবন্ধন বইয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, সে সময় কাবিন রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে কনের উপস্থিতি সবসময় নিশ্চিত করা হতো না; উকিল ও সাক্ষীর মাধ্যমেই বিবাহ সম্পন্ন হতো। বর্তমানে নিয়ম অনুযায়ী কনের স্বাক্ষর গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। কনের বয়স সংক্রান্ত অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট ঘটনায় তাকে ভুল তথ্য দিয়ে প্রতারিত করা হয়েছিলো। পরবর্তীতে প্রাপ্ত কাগজপত্র অনুযায়ী কনের জন্মতারিখ ২০ জানুয়ারি ১৯৯৮ এবং ১৫ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে বিয়ে নিবন্ধনের সময় তার বয়স ছিলো ১৯ বছর ৯ মাস ২৬ দিন। ফলে এটি বাল্যবিবাহ ছিলো না। তিনি আরও বলেন, একই সাথে ২৩ বছরের পুরোনো কাগজপত্র পর্যালোচনায় কিছু ভুলত্রুটি পাওয়া যেতে পারে, যা মার্জনীয় হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

রেজিস্ট্রার মো. জুনাইদ আহমদ বলেন, অভিযোগকারী দীর্ঘদিন থেকে আমাকে ক্ষতিগ্রস্থ করার চেষ্টা করছে। তার পেছনে অন্য এক কাজীর ইন্ধন রয়েছে।

কাজী জুনাইদ আহমদ

ষাটমা/ম