০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ফ্রান্সে বাংলাদেশী কমিউনিটির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo দক্ষিণভাগ দঃ ইউনিয়ন ছাত্রদলের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo বড়লেখা পৌরশহরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু Logo সবুজে ভরে উঠেছে বড়লেখার চা বাগান, শুরু হয়েছে নতুন মৌসুমের পাতা চয়ন Logo বড়লেখা উপজেলা যুব বিভাগের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন Logo জুড়ীতে ৫০ ইমাম-মুয়াজ্জিনকে ঈদ উপহার দিল ‘আনোদ আল মোল্লা ট্রাস্ট’ Logo বড়লেখায় বাঙালী বাউল শ্রমিক শিল্পীগোষ্ঠীর কার্যকরী কমিটি গঠন Logo ফেইসবুকে অপপ্রচারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতার মামলা Logo জুড়ীতে প্রবাসী মাহবুব হাসান সাচ্চুর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo সিলেটে মৌলভীবাজার সমিতির জমকালো ইফতার মাহফিল

হাড়ারগজ রিজার্ভ ফরেস্ট পরিদর্শনে এমপি, ডিসি ও বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা

রিজার্ভ ফরেস্টে সড়ককাজে বন বিভাগের বাধা, স্থগিত নির্মাণ

খোর্শেদ আলম, জুড়ী প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় : ১২:৩৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • / 70
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজারের জুড়ী-টু-কুলাউড়া বাইপাস সড়কের ২৭০০ মিটার অংশের নির্মাণকাজ বন বিভাগের আপত্তিতে বন্ধ হয়ে গেছে। সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভেতর দিয়ে সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া কাজ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, সড়কটি সাগরনাল এলাকা থেকে হাড়ারগজ রিজার্ভ ফরেস্টের ভেতর দিয়ে প্রবেশ করে কুলাউড়ার গাজীপুরে গিয়ে মিলিত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার (২ মার্চ) সংশ্লিষ্ট স্থান পরিদর্শন করেন মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু, জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাবেল, জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফ দস্তেগীর, কুলাউড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আনিসুল ইসলাম, পরিবেশ অধিদপ্তর মৌলভীবাজারের সহকারী পরিচালক মো. মাহিদুল ইসলাম, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুর রহমান, সহকারী বন সংরক্ষক মোহাম্মদ নাজমুল আলমসহ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিরা।

পরিদর্শনকালে বন ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা হয়। বন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভেতর দিয়ে পাকা সড়ক নির্মাণ বন ও বন্যপ্রাণীর জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। প্রায়ই এমন সড়কে দুর্ঘটনায় বিভিন্ন বন্যপ্রাণী মারা যায়।

সংরক্ষিত বন আইন ও নীতিমালার বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রাচীন বন আইন Forest Act, 1927 (সংশোধিত) অনুযায়ী ঘোষিত সংরক্ষিত বনাঞ্চলে (Reserved Forest) কোনো ধরনের নির্মাণ, জমির ব্যবহার পরিবর্তন, গাছ কাটা বা স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি বাধ্যতামূলক। আইনটির ধারা ২৬ অনুযায়ী সংরক্ষিত বনে অবৈধ দখল, নির্মাণ বা ক্ষতিসাধন শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এছাড়া Wildlife (Conservation and Security) Act, 2012 অনুযায়ী বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল, প্রজননক্ষেত্র ও চলাচলের করিডোর ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমন কোনো কার্যক্রম গ্রহণের ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। এ আইনে বন্যপ্রাণীর মৃত্যু, আবাসস্থল ধ্বংস বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে জরিমানা ও কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

পরিবেশ সংরক্ষণ সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের ক্ষেত্রে Environment Conservation Act, 1995 অনুযায়ী পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন (EIA) করা বাধ্যতামূলক। বিশেষ করে বনাঞ্চল, বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য বা প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের আগে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র (Environmental Clearance) প্রয়োজন।
২০২৩-২০২৫ সময়কালে সরকার বন সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জাতীয় বন নীতি হালনাগাদ এবং জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। নীতিমালায় উন্নয়ন কার্যক্রমে ‘ইকোলজিক্যাল করিডোর’ রক্ষা, বন্যপ্রাণী পারাপারের জন্য আন্ডারপাস বা ওভারপাস নির্মাণ এবং বিকল্প সড়ক পরিকল্পনার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সহকারী বন সংরক্ষক মোহাম্মদ নাজমুল আলম বলেন, আমাদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, লাউয়াছড়া বনে পাকা সড়ক থাকার কারণে শত শত প্রাণী দুর্ঘটনায় মারা যাচ্ছে। এজন্য নতুন করে বনের ভেতরে কোনো ধরনের সড়ক নির্মাণ করা যাবে না।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুর রহমান বলেন, বন ধ্বংস করা যায়, কিন্তু বন পুনরুদ্ধার করা যায় না। বনের ভেতরে পাকা সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে আইনি বিধিনিষেধ রয়েছে। একান্ত প্রয়োজন হলে মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি সাপেক্ষে আমরা সহযোগিতা করব, অন্যথায় কোনোভাবেই রাস্তা করা যাবে না।

পরিবেশবাদীরা বলছেন, মানুষের জন্য যেমন সড়ক প্রয়োজন, তেমনি বন্যপ্রাণীর জন্য নিরাপদ আবাসস্থলও জরুরি। বন ও বন্যপ্রাণীর সুরক্ষা বিবেচনায় নিয়েই পরিকল্পনা গ্রহণ করা উচিত। পাথারিয়া বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ টিমের সদস্য আবিদ হোসাইন বলেন, “উন্নয়ন ও পরিবেশ দুইয়ের মধ্যে সমন্বয় করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।”

মৌলভীবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কায়সার হামিদ বলেন, রাস্তাটি আগে থেকেই নির্মিত রয়েছে। আমরা শুধু ইট তুলে কার্পেটিং বা সংস্কার কাজ করতে চেয়েছি। এখানে নতুন করে অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সামনে বর্ষা মৌসুম। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারলে জটিলতায় পড়তে হবে।

জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাবেল বলেন, যেহেতু রাস্তাটি সংরক্ষিত বনের জায়গার মধ্যে পড়েছে, তাই বন বিভাগের একটি এনওসি প্রয়োজন। তবে রাস্তাটি যেহেতু আগে থেকেই ব্যবহার হচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে সমন্বিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মৌলভীবাজার ০২ আসনের সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু বলেন, জনস্বার্থে অনেক সময় পাহাড় কেটে রাস্তা করা হয়। এই এলাকার মানুষের চলাচলের জন্য রাস্তার প্রয়োজন রয়েছে। সব দিক বিবেচনা করে মানুষের কল্যাণে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভেতরে সড়ক নির্মাণকাজ বন্ধ থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ষাটমাকন্ঠ/রুমেল

নিউজটি শেয়ার করুন

হাড়ারগজ রিজার্ভ ফরেস্ট পরিদর্শনে এমপি, ডিসি ও বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা

রিজার্ভ ফরেস্টে সড়ককাজে বন বিভাগের বাধা, স্থগিত নির্মাণ

আপডেট সময় : ১২:৩৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

মৌলভীবাজারের জুড়ী-টু-কুলাউড়া বাইপাস সড়কের ২৭০০ মিটার অংশের নির্মাণকাজ বন বিভাগের আপত্তিতে বন্ধ হয়ে গেছে। সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভেতর দিয়ে সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া কাজ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, সড়কটি সাগরনাল এলাকা থেকে হাড়ারগজ রিজার্ভ ফরেস্টের ভেতর দিয়ে প্রবেশ করে কুলাউড়ার গাজীপুরে গিয়ে মিলিত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার (২ মার্চ) সংশ্লিষ্ট স্থান পরিদর্শন করেন মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু, জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাবেল, জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফ দস্তেগীর, কুলাউড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আনিসুল ইসলাম, পরিবেশ অধিদপ্তর মৌলভীবাজারের সহকারী পরিচালক মো. মাহিদুল ইসলাম, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুর রহমান, সহকারী বন সংরক্ষক মোহাম্মদ নাজমুল আলমসহ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিরা।

পরিদর্শনকালে বন ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা হয়। বন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভেতর দিয়ে পাকা সড়ক নির্মাণ বন ও বন্যপ্রাণীর জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। প্রায়ই এমন সড়কে দুর্ঘটনায় বিভিন্ন বন্যপ্রাণী মারা যায়।

সংরক্ষিত বন আইন ও নীতিমালার বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রাচীন বন আইন Forest Act, 1927 (সংশোধিত) অনুযায়ী ঘোষিত সংরক্ষিত বনাঞ্চলে (Reserved Forest) কোনো ধরনের নির্মাণ, জমির ব্যবহার পরিবর্তন, গাছ কাটা বা স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি বাধ্যতামূলক। আইনটির ধারা ২৬ অনুযায়ী সংরক্ষিত বনে অবৈধ দখল, নির্মাণ বা ক্ষতিসাধন শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এছাড়া Wildlife (Conservation and Security) Act, 2012 অনুযায়ী বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল, প্রজননক্ষেত্র ও চলাচলের করিডোর ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমন কোনো কার্যক্রম গ্রহণের ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। এ আইনে বন্যপ্রাণীর মৃত্যু, আবাসস্থল ধ্বংস বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে জরিমানা ও কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

পরিবেশ সংরক্ষণ সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের ক্ষেত্রে Environment Conservation Act, 1995 অনুযায়ী পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন (EIA) করা বাধ্যতামূলক। বিশেষ করে বনাঞ্চল, বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য বা প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের আগে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র (Environmental Clearance) প্রয়োজন।
২০২৩-২০২৫ সময়কালে সরকার বন সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জাতীয় বন নীতি হালনাগাদ এবং জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। নীতিমালায় উন্নয়ন কার্যক্রমে ‘ইকোলজিক্যাল করিডোর’ রক্ষা, বন্যপ্রাণী পারাপারের জন্য আন্ডারপাস বা ওভারপাস নির্মাণ এবং বিকল্প সড়ক পরিকল্পনার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সহকারী বন সংরক্ষক মোহাম্মদ নাজমুল আলম বলেন, আমাদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, লাউয়াছড়া বনে পাকা সড়ক থাকার কারণে শত শত প্রাণী দুর্ঘটনায় মারা যাচ্ছে। এজন্য নতুন করে বনের ভেতরে কোনো ধরনের সড়ক নির্মাণ করা যাবে না।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুর রহমান বলেন, বন ধ্বংস করা যায়, কিন্তু বন পুনরুদ্ধার করা যায় না। বনের ভেতরে পাকা সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে আইনি বিধিনিষেধ রয়েছে। একান্ত প্রয়োজন হলে মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি সাপেক্ষে আমরা সহযোগিতা করব, অন্যথায় কোনোভাবেই রাস্তা করা যাবে না।

পরিবেশবাদীরা বলছেন, মানুষের জন্য যেমন সড়ক প্রয়োজন, তেমনি বন্যপ্রাণীর জন্য নিরাপদ আবাসস্থলও জরুরি। বন ও বন্যপ্রাণীর সুরক্ষা বিবেচনায় নিয়েই পরিকল্পনা গ্রহণ করা উচিত। পাথারিয়া বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ টিমের সদস্য আবিদ হোসাইন বলেন, “উন্নয়ন ও পরিবেশ দুইয়ের মধ্যে সমন্বয় করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।”

মৌলভীবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কায়সার হামিদ বলেন, রাস্তাটি আগে থেকেই নির্মিত রয়েছে। আমরা শুধু ইট তুলে কার্পেটিং বা সংস্কার কাজ করতে চেয়েছি। এখানে নতুন করে অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সামনে বর্ষা মৌসুম। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারলে জটিলতায় পড়তে হবে।

জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাবেল বলেন, যেহেতু রাস্তাটি সংরক্ষিত বনের জায়গার মধ্যে পড়েছে, তাই বন বিভাগের একটি এনওসি প্রয়োজন। তবে রাস্তাটি যেহেতু আগে থেকেই ব্যবহার হচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে সমন্বিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মৌলভীবাজার ০২ আসনের সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু বলেন, জনস্বার্থে অনেক সময় পাহাড় কেটে রাস্তা করা হয়। এই এলাকার মানুষের চলাচলের জন্য রাস্তার প্রয়োজন রয়েছে। সব দিক বিবেচনা করে মানুষের কল্যাণে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভেতরে সড়ক নির্মাণকাজ বন্ধ থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ষাটমাকন্ঠ/রুমেল