১০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শিল্পী সমিতির নির্বাচনে দুই কিংবদন্তির সন্তানের প্যানেল Logo জুড়ীতে ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’র আহ্বায়ক কমিটি গঠন Logo কুলাউড়া ইয়াকুব তাজুল মহিলা কলেজের পক্ষ থেকে বিদায়ী ইউএনও’কে সম্মাননা প্রদান Logo বড়লেখায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর Logo বড়লেখায় জনদুর্ভোগ নিরসনে নবাগত ইউএনও’র সাথে নিসচা’র মতবিনিময় Logo হাওর লুটপাটকারীদের রোষানলে জুড়ীর মৎস্য কর্মকর্তা Logo বড়লেখা সরকারি কলেজে ঐতিহাসিক কোরআন দিবস পালন Logo অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া বার্তা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর, ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের ঘোষণা Logo ঢাবির সহকারী প্রক্টর শেহরীন মোনামির পদত্যাগ Logo রিয়ালকে হারিয়েই লিগ শিরোপা জিতল বার্সা

শীতে নিয়ম মেনে টক দই খান

ষাটমাকন্ঠ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৪২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 159
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টক দই শরীরের জন্য কতটা উপকারী তা কমবেশি সবারই জানা। তবে দই ঠান্ডা খাবার হওয়ায় শীতকালে অনেকেই তা এড়িয়ে যান। অনেকেই মনে করেন, শীতে দই খেলে সর্দি-কাশি বেড়ে যেতে পারে। পুষ্টিবিদদের মতে, সঠিকভাবে দই খেলে শীতেও এটি শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে।

দই প্রাকৃতিক প্রোবায়োটিক, অর্থাৎ এতে থাকে শরীরের জন্য উপকারী জীবাণু যা হজমশক্তি বাড়ায় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। দই খেলে আরও যেসব উপকার মেলে-

হজমে সাহায্য করে: শীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খাওয়া দাওয়া বেশি হয়। ফলে হজমের সমস্যা বাড়ে। দই পেট ঠান্ডা রাখে ও অ্যাসিডিটি, ফাঁপাভাব কমায়।

হাড় ও পেশি শক্ত করে: দইয়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন থাকে যা হাড়ের ঘনত্ব ও পেশিশক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।

ইমিউনিটি বৃদ্ধি করে: দইয়ে থাকা জিঙ্ক, ভিটামিন বি-১২, ও রিবোফ্লাভিন শরীরকে ভাইরাল সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।
ত্বক ও চুলের যত্নে: নিয়মিত দই খেলে ত্বকে উজ্জ্বল থাকে। সেই সঙ্গে চুলও হয় মজবুত।

কখন দই না খাওয়াই ভালো
আয়ুর্বেদ মতে, দই কফবর্ধক খাবার। এ কারণে যাদের ঠান্ডা, কাশি, সাইনাসের সমস্যা আছে, তাদের রাতে ঠান্ডা দই খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। রাতে দই খেলে হজম ধীর হয় ও নাক বন্ধের সমস্যা বাড়তে পারে।

শীতে দই খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি
ফ্রিজের ঠান্ডা দই সরাসরি না খেয়ে ঘরের তাপমাত্রায় খান বা সামান্য গরম করে নিন। দুপুরে খেলে সবচেয়ে ভালো হয়। কারণ এ সময় হজমশক্তি সবচেয়ে সক্রিয় থাকে। দইয়ের সঙ্গে সামান্য ভাজা জিরা, গোলমরিচ গুঁড়ো বা বিট লবণ মিশিয়ে খেলে তা হজমে সাহায্য করে ও কফ কমায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শীতে নিয়ম মেনে টক দই খান

আপডেট সময় : ০৭:৪২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

টক দই শরীরের জন্য কতটা উপকারী তা কমবেশি সবারই জানা। তবে দই ঠান্ডা খাবার হওয়ায় শীতকালে অনেকেই তা এড়িয়ে যান। অনেকেই মনে করেন, শীতে দই খেলে সর্দি-কাশি বেড়ে যেতে পারে। পুষ্টিবিদদের মতে, সঠিকভাবে দই খেলে শীতেও এটি শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে।

দই প্রাকৃতিক প্রোবায়োটিক, অর্থাৎ এতে থাকে শরীরের জন্য উপকারী জীবাণু যা হজমশক্তি বাড়ায় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। দই খেলে আরও যেসব উপকার মেলে-

হজমে সাহায্য করে: শীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খাওয়া দাওয়া বেশি হয়। ফলে হজমের সমস্যা বাড়ে। দই পেট ঠান্ডা রাখে ও অ্যাসিডিটি, ফাঁপাভাব কমায়।

হাড় ও পেশি শক্ত করে: দইয়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন থাকে যা হাড়ের ঘনত্ব ও পেশিশক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।

ইমিউনিটি বৃদ্ধি করে: দইয়ে থাকা জিঙ্ক, ভিটামিন বি-১২, ও রিবোফ্লাভিন শরীরকে ভাইরাল সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।
ত্বক ও চুলের যত্নে: নিয়মিত দই খেলে ত্বকে উজ্জ্বল থাকে। সেই সঙ্গে চুলও হয় মজবুত।

কখন দই না খাওয়াই ভালো
আয়ুর্বেদ মতে, দই কফবর্ধক খাবার। এ কারণে যাদের ঠান্ডা, কাশি, সাইনাসের সমস্যা আছে, তাদের রাতে ঠান্ডা দই খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। রাতে দই খেলে হজম ধীর হয় ও নাক বন্ধের সমস্যা বাড়তে পারে।

শীতে দই খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি
ফ্রিজের ঠান্ডা দই সরাসরি না খেয়ে ঘরের তাপমাত্রায় খান বা সামান্য গরম করে নিন। দুপুরে খেলে সবচেয়ে ভালো হয়। কারণ এ সময় হজমশক্তি সবচেয়ে সক্রিয় থাকে। দইয়ের সঙ্গে সামান্য ভাজা জিরা, গোলমরিচ গুঁড়ো বা বিট লবণ মিশিয়ে খেলে তা হজমে সাহায্য করে ও কফ কমায়।