০৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কাগজে কলমে লাইনম্যান হলেও সে যেন অলিখিত জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার, নেপথ্যে কারা… Logo দেশে আসছে পেপাল, কার্ড পাবেন ২ লাখ ফ্রিল্যান্সার Logo শাশুড়ি হত্যা: বস্তাবন্দি লাশ ফেলে ‘নিখোঁজ’ নাটক, পুত্রবধূর চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি Logo সিলেট প্রেসক্লাবে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন আহ্বান Logo তনু হত্যা মামলা: ১০ বছর পর প্রথম গ্রেপ্তার ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর ৩ দিনের রিমান্ডে Logo ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম Logo কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয়ে অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলে দ্রুত বিচার আইনে ব্যবস্থা Logo বড়লেখায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থী ৩৮৩০, প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৫ জন Logo জুড়ীতে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি শুরু Logo ১০০ কোটির মালিক, তবু যাতায়াত অটোয়, ভাইরাল মুম্বইয়ের ব্যবসায়ীর জীবনযাত্রার পোস্ট!

রহস্যজনকভাবে ২ মাসেও হয়নি ক্লু উদঘাটন: সনাক্ত হয়নি প্রকৃত আসামি

বড়লেখায় দিনমজুর হত্যাকান্ড প্রকৃত আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

তাহমীদ ইশাদ রিপন
  • আপডেট সময় : ১২:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫
  • / 137
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্নি ইউনিয়নের বারহার গ্রামের দিনমজুর সালাহ উদ্দিন খুনের দুই মাস পরও হত্যাকান্ডের ক্লু উদ্ঘাটন ও প্রকৃত আসামি সনাক্ত করতে পারেননি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধিদের সানক্তপূর্বক গ্রেফতার দাবিতে নিহেতর স্বজনসহ এলাকাবাসি রোববার দুপুরে বড়লেখা পৌরশহরে মানববন্ধন সমাবেশ করেছেন। পরে তারা থানার ওসির কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

হত্যাকান্ডের শিকার দিনমজুর সালাহ উদ্দিনের ভাগ্নে ইকবাল জাফরের সঞ্চালনায় মানববন্ধন সমাবেশে বক্তব্য দেন স্থানীয় ইউপি সদস্য ছৈদ আলী, আব্দুল হালিম, ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মুজিবুর রহমান, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারী আব্দুস সামাদ, উপজেলা যুবদলের আহŸায়ক আব্দুল কাদির পলাশ, নিহত সালাহ উদ্দিনের বাবা কমর উদ্দিন, চাচা পারভেজ আসুক, ছোটভাই আমির উদ্দিন, ভগ্নিপতি হাফিজ বেলাল আহমদ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ১৮ এপ্রিল রাত থেকে ১৯ এপ্রিল বিকেলের যে কোনো সময় নির্মমভাবে সালাহ উদ্দিনকে খুন করে রাতখাল নদীতে ফেলে দেয়া হয়। স্থানীয় জনসাধারণ ভাসমান অবস্থায় তার লাশ দেখে স্বজনদের খবর দেন। এঘটনায় নিহতের ভাই আমির উদ্দিন অজ্ঞাতনামা আসামি করে থানায় মামলা করেন। মামলার প্রেক্ষিতে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুর রউফ হত্যাকান্ডে জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করেন। কিন্তু রহস্যজনক কারণে আফজাল হোসেন ব্যতিত অন্য তিনজনকেই তিনি ছেড়ে দেন। ২৪ এপ্রিল সালাহ উদ্দিন হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আফজল হোসেনকে আদালতে সোপর্দ করে তিনি রিমান্ড প্রার্থনা করেন। নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি আফজল হোসেন কুড়িয়ে পেয়েছে দাবি করে সিএনজি চালক মামুন হোসেনকে ফোন দিয়ে নিশ্চিত হয় ফোনটি নিহত সালাহ উদ্দিনের। স্বজনদের প্রশ্ন প্রতি রাতে মামুন হোসেন দিনমজুর সালাহ উদ্দিনকে নিয়ে বিয়ানীবাজারে গ্যাস আনতে যেত। ওই দিন কেন সে তাকে নেয়নি। ঘটনার রাতে যে বাড়িতে সালাহ উদ্দিন ভাত খেয়েছে তাকে তদন্ত তর্মকর্তা আইনের আওতায় নেননি কেন। মামুন হোসেনকে থানায় আটক করা হলেও মুচলেকায় কেন তাকে ছেড়ে দেওয়া হল। নিহতের স্বজনরা মামলার তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার ব্যাপারে কোনো ধরণের সহযোগিতা না করার অভিযোগ করেন।

বড়লেখা থানার ওসি (তদন্ত) হাবিবুর রহমান, জানান দিনমজুর সালাহ উদ্দিন হত্যার সুষ্ঠ তদন্ত, ক্লু উদ্ঘাটন ও প্রকৃত অপরাধীদের সনাক্ত করে গ্রেফতারের দাবীতে নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসি রোববার দুপুরে থানায় একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে পরিবর্তন করে দেওয়া হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রহস্যজনকভাবে ২ মাসেও হয়নি ক্লু উদঘাটন: সনাক্ত হয়নি প্রকৃত আসামি

বড়লেখায় দিনমজুর হত্যাকান্ড প্রকৃত আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

আপডেট সময় : ১২:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্নি ইউনিয়নের বারহার গ্রামের দিনমজুর সালাহ উদ্দিন খুনের দুই মাস পরও হত্যাকান্ডের ক্লু উদ্ঘাটন ও প্রকৃত আসামি সনাক্ত করতে পারেননি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধিদের সানক্তপূর্বক গ্রেফতার দাবিতে নিহেতর স্বজনসহ এলাকাবাসি রোববার দুপুরে বড়লেখা পৌরশহরে মানববন্ধন সমাবেশ করেছেন। পরে তারা থানার ওসির কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

হত্যাকান্ডের শিকার দিনমজুর সালাহ উদ্দিনের ভাগ্নে ইকবাল জাফরের সঞ্চালনায় মানববন্ধন সমাবেশে বক্তব্য দেন স্থানীয় ইউপি সদস্য ছৈদ আলী, আব্দুল হালিম, ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মুজিবুর রহমান, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারী আব্দুস সামাদ, উপজেলা যুবদলের আহŸায়ক আব্দুল কাদির পলাশ, নিহত সালাহ উদ্দিনের বাবা কমর উদ্দিন, চাচা পারভেজ আসুক, ছোটভাই আমির উদ্দিন, ভগ্নিপতি হাফিজ বেলাল আহমদ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ১৮ এপ্রিল রাত থেকে ১৯ এপ্রিল বিকেলের যে কোনো সময় নির্মমভাবে সালাহ উদ্দিনকে খুন করে রাতখাল নদীতে ফেলে দেয়া হয়। স্থানীয় জনসাধারণ ভাসমান অবস্থায় তার লাশ দেখে স্বজনদের খবর দেন। এঘটনায় নিহতের ভাই আমির উদ্দিন অজ্ঞাতনামা আসামি করে থানায় মামলা করেন। মামলার প্রেক্ষিতে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুর রউফ হত্যাকান্ডে জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করেন। কিন্তু রহস্যজনক কারণে আফজাল হোসেন ব্যতিত অন্য তিনজনকেই তিনি ছেড়ে দেন। ২৪ এপ্রিল সালাহ উদ্দিন হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আফজল হোসেনকে আদালতে সোপর্দ করে তিনি রিমান্ড প্রার্থনা করেন। নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি আফজল হোসেন কুড়িয়ে পেয়েছে দাবি করে সিএনজি চালক মামুন হোসেনকে ফোন দিয়ে নিশ্চিত হয় ফোনটি নিহত সালাহ উদ্দিনের। স্বজনদের প্রশ্ন প্রতি রাতে মামুন হোসেন দিনমজুর সালাহ উদ্দিনকে নিয়ে বিয়ানীবাজারে গ্যাস আনতে যেত। ওই দিন কেন সে তাকে নেয়নি। ঘটনার রাতে যে বাড়িতে সালাহ উদ্দিন ভাত খেয়েছে তাকে তদন্ত তর্মকর্তা আইনের আওতায় নেননি কেন। মামুন হোসেনকে থানায় আটক করা হলেও মুচলেকায় কেন তাকে ছেড়ে দেওয়া হল। নিহতের স্বজনরা মামলার তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার ব্যাপারে কোনো ধরণের সহযোগিতা না করার অভিযোগ করেন।

বড়লেখা থানার ওসি (তদন্ত) হাবিবুর রহমান, জানান দিনমজুর সালাহ উদ্দিন হত্যার সুষ্ঠ তদন্ত, ক্লু উদ্ঘাটন ও প্রকৃত অপরাধীদের সনাক্ত করে গ্রেফতারের দাবীতে নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসি রোববার দুপুরে থানায় একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে পরিবর্তন করে দেওয়া হতে পারে।