০৮:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কমলগঞ্জে সড়ক উন্নয়ন ও খাল খনন কাজের উদ্বোধন Logo সরকার কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে- নাসির উদ্দিন মিঠু এমপি Logo জুড়ীতে অবৈধভাবে মজুত করা ১৪ শ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ Logo জ্বালানি সংকটে বিয়ের অনুষ্ঠানে চমক, উপহার হিসেবে অকটেন পেলেব বর Logo বগুড়ায় তারার মেলা, কনকচাঁপা পেলেন আজীবন সম্মাননা Logo অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরির সুযোগ মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে Logo রাষ্ট্রপতির উপ-প্রেস সচিব ও সহকারী প্রেস সচিব নিয়োগ Logo জাকসুকে ‘রাজনৈতিক স্বার্থে’ ব্যবহারের অভিযোগ, প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি Logo সুচিত্রা সেন: পাবনার এক সাধারণ মেয়ে থেকে মহানায়িকা হয়ে ওঠার গল্প Logo সিলেটের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মীর্জা জামাল পাশা আর নেই

চট্টগ্রাম র‌্যাব কার্যালয়ে পুলিশের এএসপির আত্মহত্যা

স্বর্ণ বাদে যা আছে তা মায়ের জন্য, দিদি যেন কো-অর্ডিনেট করে

অনলাইন ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫
  • / 196
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট র‌্যাব কার্যালয়ে পুলিশের সিনিয়র এএসপি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তার গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পলাশ সাহা নামের ওই কর্মকর্তা অভিযানের প্রস্তুতি নিয়ে নিজের অফিস রুমে প্রবেশ করেছিল। কিছুক্ষণ পর গুলির শব্দ শুনে সহকর্মীরা গিয়ে দেখতে পান মেঝেতে পড়ে আছে তার রক্তাক্ত দেহ। পাশের টেবিলে পাওয়া যায় তার হাতে লেখা একটি ‘সুইসাইড নোট’। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় র‌্যাব-৭ এর বহদ্দারহাট ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত পলাশ সাহা চিরকুটে লিখেছিলেন, ‘আমার মৃত্যুর জন্য মা এবং বউ কেউ দায়ী না। আমিই দায়ী। কাউকে ভালো রাখতে পারলাম না। বউ যেন সব স্বর্ণ নিয়ে যায় এবং ভালো থাকে। মায়ের দায়িত্ব দুই ভাইয়ের ওপর। তারা যেন মাকে ভালো রাখে। স্বর্ণ বাদে যা আছে তা মায়ের জন্য। দিদি যেন কো-অর্ডিনেট করে।’ র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফফর হোসেন বলেন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার পলাশ সাহা নিজের ইস্যু করা পিস্তল দিয়ে সুইসাইড করেন। আমরা গুলির শব্দ শুনে রুমে গিয়ে তার গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার করি। পরবর্তীতে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও উপ-পরিদর্শক মো. আশেক বলেন, র‌্যাব-৭ এ দায়িত্বরত সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার পলাশ সাহার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে রাখা হয়েছে। এখন উনার পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে আছেন। ময়নাতদন্ত শেষে উনাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। পুলিশের পাঁচলাইশ জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) আরিফ হোসেন বলেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পালাশ সাহার লাশ তার অফিসরুমে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে তার পরিবারের বিষয়ে লেখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম র‌্যাব কার্যালয়ে পুলিশের এএসপির আত্মহত্যা

স্বর্ণ বাদে যা আছে তা মায়ের জন্য, দিদি যেন কো-অর্ডিনেট করে

আপডেট সময় : ০১:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট র‌্যাব কার্যালয়ে পুলিশের সিনিয়র এএসপি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তার গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পলাশ সাহা নামের ওই কর্মকর্তা অভিযানের প্রস্তুতি নিয়ে নিজের অফিস রুমে প্রবেশ করেছিল। কিছুক্ষণ পর গুলির শব্দ শুনে সহকর্মীরা গিয়ে দেখতে পান মেঝেতে পড়ে আছে তার রক্তাক্ত দেহ। পাশের টেবিলে পাওয়া যায় তার হাতে লেখা একটি ‘সুইসাইড নোট’। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় র‌্যাব-৭ এর বহদ্দারহাট ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত পলাশ সাহা চিরকুটে লিখেছিলেন, ‘আমার মৃত্যুর জন্য মা এবং বউ কেউ দায়ী না। আমিই দায়ী। কাউকে ভালো রাখতে পারলাম না। বউ যেন সব স্বর্ণ নিয়ে যায় এবং ভালো থাকে। মায়ের দায়িত্ব দুই ভাইয়ের ওপর। তারা যেন মাকে ভালো রাখে। স্বর্ণ বাদে যা আছে তা মায়ের জন্য। দিদি যেন কো-অর্ডিনেট করে।’ র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফফর হোসেন বলেন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার পলাশ সাহা নিজের ইস্যু করা পিস্তল দিয়ে সুইসাইড করেন। আমরা গুলির শব্দ শুনে রুমে গিয়ে তার গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার করি। পরবর্তীতে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও উপ-পরিদর্শক মো. আশেক বলেন, র‌্যাব-৭ এ দায়িত্বরত সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার পলাশ সাহার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে রাখা হয়েছে। এখন উনার পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে আছেন। ময়নাতদন্ত শেষে উনাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। পুলিশের পাঁচলাইশ জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) আরিফ হোসেন বলেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পালাশ সাহার লাশ তার অফিসরুমে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে তার পরিবারের বিষয়ে লেখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি।