০২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo তনু হত্যা মামলা: ১০ বছর পর প্রথম গ্রেপ্তার ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর ৩ দিনের রিমান্ডে Logo ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম Logo কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয়ে অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলে দ্রুত বিচার আইনে ব্যবস্থা Logo বড়লেখায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থী ৩৮৩০, প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৫ জন Logo জুড়ীতে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি শুরু Logo ১০০ কোটির মালিক, তবু যাতায়াত অটোয়, ভাইরাল মুম্বইয়ের ব্যবসায়ীর জীবনযাত্রার পোস্ট! Logo ফ্রান্সের অরলিয়ন্সে বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রথম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত Logo ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে মৌলভীবাজারের যুবক নিহত Logo জামায়াত এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি Logo জুড়ীতে প্রধান শিক্ষক নিখোঁজ, মোটরসাইকেল ও জামাকাপড় উদ্ধার

দুর্নীতি-নারী কেলেঙ্কারিতে আলোচিত মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের হিসাবরক্ষক তারেক বদলি

ডেক্স রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১১:৫১:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
  • / 185
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের হিসাবরক্ষক তারেক আহমদ চৌধুরীকে দুর্নীতির অভিযোগে বদলি করা হয়েছে। রবিবার (৪ মে) সিলেটের স্থানীয় সরকার বিভাগের অফিস আদেশে তাকে সুনামগঞ্জ বদলি করা হয়। তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়ার পর স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত শুরু করে।

এ বিষয়ে মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা বেগম শামীমা খন্দকার জানান, বদলি আদেশ হাতে পেয়েছি এবং তারেক আহমদ চৌধুরীকে সুনামগঞ্জে বদলি করা হয়েছে।

মৌলভীবাজার জেলা পরিষদে যোগদানের পরই যেন আলাদিনের চেরাগ পান তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী তারেক আহমদ চৌধুরী। জেলা পরিষদে চাকরির পরই জিরো থেকে হিরো হয়েছেন তিনি। জেলা পরিষদে যোগ দেওয়ার পরই তার জীবনে একাধিক প্রাপ্তির ঘটনাগুলো ঘটে, যেমন সিলেট শহরে একটি ফ্ল্যাট কেনা, শ্রীমঙ্গলে একটি বাগান এবং তার ও স্ত্রীর নামে এফডিআর ও ব্যাংক ব্যালেন্স। এর পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে, যেমন ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, অনৈতিক সম্পর্ক এবং অফিসে সিগারেট খাওয়া।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি, সরকারি অর্থ রাজস্ব কোষাগারে জমা না দেওয়া, ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে পুরো টাকা আত্মাসৎ, জেলা পরিষদ অফিস, ডাক বাংলো ও অডিটোরিয়াম মেরামতের নামে ভুয়া প্রকল্প তৈরিসহ নানা অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।

২০০৩ সালে সহকারী হিসাবরক্ষক হিসেবে মৌলভীবাজার জেলা পরিষদে যোগ দেওয়ার আগে তিনি ডিশলাইনের লাইনম্যান হিসেবে কাজ করতেন। পরিষদের এক নারী কর্মচারীর সঙ্গে তার অনৈতিক সম্পর্ক এবং প্রশিক্ষণ নিতে আসা মেয়েদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এছাড়া তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, জেলা পরিষদে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা উপসহকারী প্রকৌশলীকে মারধর করার, নারীদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করার এবং জেলা পরিষদে একক আধিপত্য বিস্তারের।

এই ঘটনার পর, বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু করা হয় এবং দ্রুত বদলি আদেশ জারি করা হয়।

 

ষাটমা কন্ঠ/এমরান

নিউজটি শেয়ার করুন

দুর্নীতি-নারী কেলেঙ্কারিতে আলোচিত মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের হিসাবরক্ষক তারেক বদলি

আপডেট সময় : ১১:৫১:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের হিসাবরক্ষক তারেক আহমদ চৌধুরীকে দুর্নীতির অভিযোগে বদলি করা হয়েছে। রবিবার (৪ মে) সিলেটের স্থানীয় সরকার বিভাগের অফিস আদেশে তাকে সুনামগঞ্জ বদলি করা হয়। তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়ার পর স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত শুরু করে।

এ বিষয়ে মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা বেগম শামীমা খন্দকার জানান, বদলি আদেশ হাতে পেয়েছি এবং তারেক আহমদ চৌধুরীকে সুনামগঞ্জে বদলি করা হয়েছে।

মৌলভীবাজার জেলা পরিষদে যোগদানের পরই যেন আলাদিনের চেরাগ পান তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী তারেক আহমদ চৌধুরী। জেলা পরিষদে চাকরির পরই জিরো থেকে হিরো হয়েছেন তিনি। জেলা পরিষদে যোগ দেওয়ার পরই তার জীবনে একাধিক প্রাপ্তির ঘটনাগুলো ঘটে, যেমন সিলেট শহরে একটি ফ্ল্যাট কেনা, শ্রীমঙ্গলে একটি বাগান এবং তার ও স্ত্রীর নামে এফডিআর ও ব্যাংক ব্যালেন্স। এর পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে, যেমন ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, অনৈতিক সম্পর্ক এবং অফিসে সিগারেট খাওয়া।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি, সরকারি অর্থ রাজস্ব কোষাগারে জমা না দেওয়া, ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে পুরো টাকা আত্মাসৎ, জেলা পরিষদ অফিস, ডাক বাংলো ও অডিটোরিয়াম মেরামতের নামে ভুয়া প্রকল্প তৈরিসহ নানা অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।

২০০৩ সালে সহকারী হিসাবরক্ষক হিসেবে মৌলভীবাজার জেলা পরিষদে যোগ দেওয়ার আগে তিনি ডিশলাইনের লাইনম্যান হিসেবে কাজ করতেন। পরিষদের এক নারী কর্মচারীর সঙ্গে তার অনৈতিক সম্পর্ক এবং প্রশিক্ষণ নিতে আসা মেয়েদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এছাড়া তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, জেলা পরিষদে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা উপসহকারী প্রকৌশলীকে মারধর করার, নারীদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করার এবং জেলা পরিষদে একক আধিপত্য বিস্তারের।

এই ঘটনার পর, বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু করা হয় এবং দ্রুত বদলি আদেশ জারি করা হয়।

 

ষাটমা কন্ঠ/এমরান