০১:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হলেন ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী Logo কে এই সাইফুর? এমসি কলেজের আলোচিত ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামির উত্থান, অপরাধ ও পরিণতি Logo মর্যাদাপূর্ণ বেঙ্গল ব্রিটিশ আইকন অ্যাওয়ার্ডে সম্মানিত রাগীব আলীকে লিডিং ইউনিভার্সিটির সংবর্ধনা Logo স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের চেতনায় আজ ফ্রান্সের জাতীয় দিবস Logo প্যারিসে উৎসবমুখর পরিবেশে বড়লেখা পৌরসভা ও সদর ইউনিয়নের প্রবাসীদের মিলনমেলা Logo যে কারণে বিশ্বকাপের আগে ইনস্টাগ্রামের সব পোস্ট ডিলিট করেন মাইকেল ওলিসে Logo মৌলভীবাজার চেম্বার অব কমার্সে প্রশাসক নিয়োগ, ১২০ দিনের মধ্যে নির্বাচন Logo বড়লেখায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা Logo ছাত্রশিবির থেকে বিদায় নিলেন সাদিক কায়েম Logo প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বড়লেখা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থীর কৃতিত্ব

বড়লেখায় পুলিশের কাছ থেকে ছাত্রলীগ নেতা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৪

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫
  • / 2357
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় একটি রাজনৈতিক মামলার আসামি ছাত্রলীগ নেতা মাসুম আহমদ হাসানকে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ওপর আক্রমণ করে তার স্বজন ও স্থানীয় লোকজন তাকে ছিনিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।

শনিবার (১২ এপ্রিল) রাত নয়টার দিকে উপজেলার কলাজুরা বাজারে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলা কলাজুরা গ্রামের তাজুল ইসলাম, জামিল আহমদ, গৌরধন সিংহ ও মুরাদ আহমদ।  তবে, স্থানীয়দের অভিযোগ মূল অপরাধীদের গ্রেপ্তার না করে পুলিশ নিরীহ তিন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনায় শনিবার রাতেই বড়লেখা থানার এসআই দেবল চন্দ্র সরকার বাদি হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখ ও আরও ৪০/৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে পুলিশ অ্যাসল্ট মামলা করেছেন।

থানা পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কলাজুরা গ্রামের বাসিন্দা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আজির উদ্দিনের ছেলে ছাত্রলীগ নেতা মাসুম আহমদ হাসানের বিরুদ্ধে থানায় একটি রাজনৈতিক মামলা (নং-০৯) রয়েছে। শনিবার রাতে বড়লেখা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই তৌহিদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ কলাজুরা বাজারে অভিযান চালিয়ে মাসুমকে গ্রেপ্তার করে গাড়িতে উঠাতে গেলে তার স্বজন ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত সেখানে জড়ো হয়ে তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেন। এসময় ছাত্রলীগ নেতা মাসুম আহমদ হাসান পালিয়ে যান। পরে খবর পেয়ে বড়লেখা থানার ওসি আবুল কাশেম সরকারের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।  এই ঘটনার পরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে।

মামলার বাদি বড়লেখা থানার এসআই দেবল চন্দ্র সরকার রোববার রাতে বলেন, একটি মামলার আসামি ছাত্রলীগ নেতা মাসুমকে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ওপর আক্রমণ করে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় তিনি বাদি হয়ে ছাত্রলীগ নেতা মাসুমসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ ও আরও ৪০/৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেছেন।

বড়লেখা থানার ওসি আবুল কাশেম সরকার বলেন, রোববার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বড়লেখায় পুলিশের কাছ থেকে ছাত্রলীগ নেতা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৪

আপডেট সময় : ০৬:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় একটি রাজনৈতিক মামলার আসামি ছাত্রলীগ নেতা মাসুম আহমদ হাসানকে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ওপর আক্রমণ করে তার স্বজন ও স্থানীয় লোকজন তাকে ছিনিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।

শনিবার (১২ এপ্রিল) রাত নয়টার দিকে উপজেলার কলাজুরা বাজারে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলা কলাজুরা গ্রামের তাজুল ইসলাম, জামিল আহমদ, গৌরধন সিংহ ও মুরাদ আহমদ।  তবে, স্থানীয়দের অভিযোগ মূল অপরাধীদের গ্রেপ্তার না করে পুলিশ নিরীহ তিন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনায় শনিবার রাতেই বড়লেখা থানার এসআই দেবল চন্দ্র সরকার বাদি হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখ ও আরও ৪০/৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে পুলিশ অ্যাসল্ট মামলা করেছেন।

থানা পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কলাজুরা গ্রামের বাসিন্দা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আজির উদ্দিনের ছেলে ছাত্রলীগ নেতা মাসুম আহমদ হাসানের বিরুদ্ধে থানায় একটি রাজনৈতিক মামলা (নং-০৯) রয়েছে। শনিবার রাতে বড়লেখা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই তৌহিদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ কলাজুরা বাজারে অভিযান চালিয়ে মাসুমকে গ্রেপ্তার করে গাড়িতে উঠাতে গেলে তার স্বজন ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত সেখানে জড়ো হয়ে তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেন। এসময় ছাত্রলীগ নেতা মাসুম আহমদ হাসান পালিয়ে যান। পরে খবর পেয়ে বড়লেখা থানার ওসি আবুল কাশেম সরকারের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।  এই ঘটনার পরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে।

মামলার বাদি বড়লেখা থানার এসআই দেবল চন্দ্র সরকার রোববার রাতে বলেন, একটি মামলার আসামি ছাত্রলীগ নেতা মাসুমকে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ওপর আক্রমণ করে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় তিনি বাদি হয়ে ছাত্রলীগ নেতা মাসুমসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ ও আরও ৪০/৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেছেন।

বড়লেখা থানার ওসি আবুল কাশেম সরকার বলেন, রোববার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।