০২:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo তনু হত্যা মামলা: ১০ বছর পর প্রথম গ্রেপ্তার ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর ৩ দিনের রিমান্ডে Logo ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম Logo কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয়ে অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলে দ্রুত বিচার আইনে ব্যবস্থা Logo বড়লেখায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থী ৩৮৩০, প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৫ জন Logo জুড়ীতে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি শুরু Logo ১০০ কোটির মালিক, তবু যাতায়াত অটোয়, ভাইরাল মুম্বইয়ের ব্যবসায়ীর জীবনযাত্রার পোস্ট! Logo ফ্রান্সের অরলিয়ন্সে বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রথম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত Logo ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে মৌলভীবাজারের যুবক নিহত Logo জামায়াত এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি Logo জুড়ীতে প্রধান শিক্ষক নিখোঁজ, মোটরসাইকেল ও জামাকাপড় উদ্ধার

শিরোনামের প্রশ্নের উত্তর যদি হয় ‘হ্যাঁ’, তাহলে আপনাকে একটা কথাই বলার আছে, ‘হবেন না!’ আপনি বরং ‘আনবদার্ড’ থাকুন। কিন্তু কথাটি বলা যত সহজ, করা ততটা নয়। তাই চট করে জেনে নিন, অন্যের কথা বা কর্মকাণ্ডে নিজেকে মানসিকভাবে সুরক্ষিত রাখার কয়েকটি উপায়।

অন্যের কথায় সহজেই আহত হন? মানসিকভাবে সুরক্ষিত থাকার কয়েকটি উপায় জানুন

জীবনযাপন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫
  • / 315
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

১ মিনিট…

মানসিকভাবে সবচেয়ে শক্তিশালী ও ক্ষমতাবান মানুষেরা কোনো কিছুতে চট করে প্রতিক্রিয়া দেখান না। তাঁরা নেতিবাচক এনার্জিটা তৈরি বা বিস্ফোরিত হওয়ার আগেই তা প্রতিহত করতে পারেন। তবে বেশির ভাগ মানুষই খুব সহজে উত্তেজিত হয়ে পড়েন। চেষ্টা করুন ১ মিনিট পর প্রতিক্রিয়া দেখাতে। এই ১ মিনিটে আপনার ভেতরে চট করে জন্ম নেওয়া রাগ–ক্ষোভ অনেকটাই প্রশমিত হয়ে যাবে। শতকরা ৮০ ভাগের বেশি সম্ভাবনা, আপনি আর প্রতিক্রিয়াই দেখাবেন না।

৫ সেকেন্ড…

যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে ৫ সেকেন্ড সময় নিন। এর মধ্যে সচেতনভাবে শ্বাস নিন। আর ধীরে ধীরে ছাড়ুন। প্রশ্নকর্তার চোখে চোখ রাখুন। এবার উত্তর দিন। এতে নিজেকে সংবরণ করে নিরপেক্ষভাবে উত্তর দেওয়া আপনার জন্য সহজ হবে।

কেউ অযথাই আপনার সমালোচনা করছে, এর কী মানে

কেউ আপনার সম্পর্কে খারাপ কথা বলছে, সমালোচনা করছে বা শত্রুতাবশত মিথ্যা গুজব ছড়াচ্ছে। এর মানে সে আদতে নিজেকে নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। ফলে আদতে তার নিজের চরিত্রই বেরিয়ে পড়ছে। এটা তার ‘নেতিবাচক এনার্জি’। আপনি এমন কোনো ‘ইমোশনাল ব্যাগেজ’ বহন করবেন না, যেটা আপনার নয়।

‘ট্রিগার্ড’ বা উত্তেজিত হওয়াও মন্দ নয়

আপনি কি জানেন, নেতিবাচকতা, শত্রুতা—এসব আপনাকে সফল হতে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত করে? যখন কেউ সমালোচনা করে, ভালো করে ভেবে দেখুন, সেখান থেকে শিক্ষা নেওয়ার কিছু আছে কি না। থাকলে নিজেকে শুধরে নিন। আরও সতর্ক হোন। এতে আদতে সে আপনার উপকারই করল। যে আপনাকে টিটকারি করে বলেছে, ‘তোমাকে দিয়ে তো এই কাজ হবে না’, এটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিন। তার জন্য নয়, নিজেকে দেখিয়ে দিন যে কাজটা আপনি পারেন। কিছু মানুষ চ্যালেঞ্জিং পরিবেশের প্রভাবে নেতিবাচক এনার্জিটাকে আরও কয়েক গুণ করে নিজের জন্য ইতিবাচকতায় বদলে ফেলে। যেকোনো পরিস্থিতিতে চিন্তা করে, এখান থেকে আমি কী নিতে পারি, যার ফলে উপকৃত হব।

নীরবতার শক্তি

কথা কম বলুন। অযথা তর্ক করতে যাবেন না। নিজের অবস্থান ব্যাখা করতে যাবেন না। এতে আপনার মানসিক স্বাস্থ্য আরও বেশি করে ক্ষতিগ্রস্ত হবে; বরং নীরব থাকুন। আপনি যখন যুক্তিসহ প্রয়োজনীয় কথাটুকু বলবেন, তখন সবাই সেটাকে গুরুত্ব দেবে।

নিজেকে জানার অসীম ক্ষমতা

আপনি যখন নিজেকে ভালোভাবে জানবেন, চিনবেন, নিজের সঙ্গে শক্তিশালী বন্ধন গড়বেন, তখন অন্য কারও কথায় আপনি সহজে আহত হবেন না। কেননা, আপনি নিজেকে ভালোভাবে জানেন। আপনার আবেগ, অনুভূতিকেও সহজে সুরক্ষিত রাখতে পারবেন।

সূত্র: মিডিয়াম

নিউজটি শেয়ার করুন

শিরোনামের প্রশ্নের উত্তর যদি হয় ‘হ্যাঁ’, তাহলে আপনাকে একটা কথাই বলার আছে, ‘হবেন না!’ আপনি বরং ‘আনবদার্ড’ থাকুন। কিন্তু কথাটি বলা যত সহজ, করা ততটা নয়। তাই চট করে জেনে নিন, অন্যের কথা বা কর্মকাণ্ডে নিজেকে মানসিকভাবে সুরক্ষিত রাখার কয়েকটি উপায়।

অন্যের কথায় সহজেই আহত হন? মানসিকভাবে সুরক্ষিত থাকার কয়েকটি উপায় জানুন

আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

১ মিনিট…

মানসিকভাবে সবচেয়ে শক্তিশালী ও ক্ষমতাবান মানুষেরা কোনো কিছুতে চট করে প্রতিক্রিয়া দেখান না। তাঁরা নেতিবাচক এনার্জিটা তৈরি বা বিস্ফোরিত হওয়ার আগেই তা প্রতিহত করতে পারেন। তবে বেশির ভাগ মানুষই খুব সহজে উত্তেজিত হয়ে পড়েন। চেষ্টা করুন ১ মিনিট পর প্রতিক্রিয়া দেখাতে। এই ১ মিনিটে আপনার ভেতরে চট করে জন্ম নেওয়া রাগ–ক্ষোভ অনেকটাই প্রশমিত হয়ে যাবে। শতকরা ৮০ ভাগের বেশি সম্ভাবনা, আপনি আর প্রতিক্রিয়াই দেখাবেন না।

৫ সেকেন্ড…

যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে ৫ সেকেন্ড সময় নিন। এর মধ্যে সচেতনভাবে শ্বাস নিন। আর ধীরে ধীরে ছাড়ুন। প্রশ্নকর্তার চোখে চোখ রাখুন। এবার উত্তর দিন। এতে নিজেকে সংবরণ করে নিরপেক্ষভাবে উত্তর দেওয়া আপনার জন্য সহজ হবে।

কেউ অযথাই আপনার সমালোচনা করছে, এর কী মানে

কেউ আপনার সম্পর্কে খারাপ কথা বলছে, সমালোচনা করছে বা শত্রুতাবশত মিথ্যা গুজব ছড়াচ্ছে। এর মানে সে আদতে নিজেকে নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। ফলে আদতে তার নিজের চরিত্রই বেরিয়ে পড়ছে। এটা তার ‘নেতিবাচক এনার্জি’। আপনি এমন কোনো ‘ইমোশনাল ব্যাগেজ’ বহন করবেন না, যেটা আপনার নয়।

‘ট্রিগার্ড’ বা উত্তেজিত হওয়াও মন্দ নয়

আপনি কি জানেন, নেতিবাচকতা, শত্রুতা—এসব আপনাকে সফল হতে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত করে? যখন কেউ সমালোচনা করে, ভালো করে ভেবে দেখুন, সেখান থেকে শিক্ষা নেওয়ার কিছু আছে কি না। থাকলে নিজেকে শুধরে নিন। আরও সতর্ক হোন। এতে আদতে সে আপনার উপকারই করল। যে আপনাকে টিটকারি করে বলেছে, ‘তোমাকে দিয়ে তো এই কাজ হবে না’, এটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিন। তার জন্য নয়, নিজেকে দেখিয়ে দিন যে কাজটা আপনি পারেন। কিছু মানুষ চ্যালেঞ্জিং পরিবেশের প্রভাবে নেতিবাচক এনার্জিটাকে আরও কয়েক গুণ করে নিজের জন্য ইতিবাচকতায় বদলে ফেলে। যেকোনো পরিস্থিতিতে চিন্তা করে, এখান থেকে আমি কী নিতে পারি, যার ফলে উপকৃত হব।

নীরবতার শক্তি

কথা কম বলুন। অযথা তর্ক করতে যাবেন না। নিজের অবস্থান ব্যাখা করতে যাবেন না। এতে আপনার মানসিক স্বাস্থ্য আরও বেশি করে ক্ষতিগ্রস্ত হবে; বরং নীরব থাকুন। আপনি যখন যুক্তিসহ প্রয়োজনীয় কথাটুকু বলবেন, তখন সবাই সেটাকে গুরুত্ব দেবে।

নিজেকে জানার অসীম ক্ষমতা

আপনি যখন নিজেকে ভালোভাবে জানবেন, চিনবেন, নিজের সঙ্গে শক্তিশালী বন্ধন গড়বেন, তখন অন্য কারও কথায় আপনি সহজে আহত হবেন না। কেননা, আপনি নিজেকে ভালোভাবে জানেন। আপনার আবেগ, অনুভূতিকেও সহজে সুরক্ষিত রাখতে পারবেন।

সূত্র: মিডিয়াম