০১:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জুড়ীতে অবৈধভাবে মজুত করা ১৪ শ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ Logo জ্বালানি সংকটে বিয়ের অনুষ্ঠানে চমক, উপহার হিসেবে অকটেন পেলেব বর Logo বগুড়ায় তারার মেলা, কনকচাঁপা পেলেন আজীবন সম্মাননা Logo অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরির সুযোগ মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে Logo রাষ্ট্রপতির উপ-প্রেস সচিব ও সহকারী প্রেস সচিব নিয়োগ Logo জাকসুকে ‘রাজনৈতিক স্বার্থে’ ব্যবহারের অভিযোগ, প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি Logo সুচিত্রা সেন: পাবনার এক সাধারণ মেয়ে থেকে মহানায়িকা হয়ে ওঠার গল্প Logo সিলেটের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মীর্জা জামাল পাশা আর নেই Logo বর্ণিল আয়োজনে এমসি কলেজে মোহনার বসন্ত বরণ উৎসব উদযাপন Logo ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নানা অনিয়মের দায়ে লাখ টাকা জরিমানা

সিপিডির সংলাপে পরিবেশ উপদেষ্টা

জ্বালানি খাতের আর্থিক বোঝা বর্তমান সরকারকে অনেক পিছিয়ে দিয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৭:০৯:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 137

পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান সিপিডির আয়োজিত সংলাপে বক্তব্য দেন। ঢাকা, ১৮ ফেব্রুয়ারি। ছবি: পিআইডি

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের রেখে যাওয়া বোঝা কমাতেই অন্তর্বর্তী সরকারকে বেশি সময় দিতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, শুধু জ্বালানি খাতের আর্থিক বোঝাই বর্তমান সরকারকে অনেক পিছিয়ে দিয়েছে।

‘বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া: ক্লাইমেট পলিসি অ্যান্ড দ্য গ্রিন এনার্জি ট্রানজিশন’ শীর্ষক সংলাপে রিজওয়ানা হাসান এ কথা বলেন। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) আয়োজনে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে মঙ্গলবার এই সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন সংলাপে সভাপতিত্ব করেন।

সংলাপে উপদেষ্টা বলেন, অর্থনীতির মানদণ্ডে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সব দেশের পদ্ধতি এক নয়। তাই জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার থেকে সরে আসা কিছু দেশের জন্য কঠিন হতে পারে। তবে কার্বন নিঃসরণে বেশি ভূমিকা রাখা দেশগুলোকেই জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বড় দায়িত্ব নিতে হবে।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘আমরা আগের সরকারের যে ঋণের ভার বহন করে চলেছি, সেটা অবিশ্বাস্য। টাকা ছাপিয়ে আমরা কিন্তু সেটা পরিশোধ করছি না। প্রবাসী ভাইদের পাঠানো রেমিট্যান্স দিয়েই এটা মেটানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছি। তবে প্রকল্প এনে টাকা পাচারের সংস্কৃতি বন্ধ করা গেছে।’ তিনি বলেন, সব ত্রুটিযুক্ত চুক্তি বাতিল করার দাবি আসতে পারে; কিন্তু এর অনেকগুলো আইনিভাবেই বৈধ। সে প্রক্রিয়া মাথায় রাখতে হচ্ছে। জ্বালানির চাহিদাও মাথায় রাখতে হচ্ছে। বর্তমান আর্থিক অবস্থায় নতুন করে বড় বিনিয়োগের সুযোগ নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার নিজেরই তিন শূন্যের তত্ত্ব আছে। তাঁর মধ্যে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নির্গমন একটি বড় লক্ষ্য। রূপান্তরের ধারাটা সূচনা করার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিশ্চয়ই ভাবছে। তিনি বলেন, ‘কিছু জায়গায় আমরা কাজ করতে পারি। যেমন বড় বড় প্রতিষ্ঠানকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য শক্তির ওপর জোর দিতে বলতে পারি। এ ছাড়া সেচের কাজগুলো যেন সৌরশক্তির মাধ্যমে করা হয়, সেটাও ভাবতে হবে। তবে সবচেয়ে জরুরি হলো টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (স্রেডা) প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শক্তিশালী করা। এসবই জাতীয় পর্যায়ের ব্যবস্থা।’

সংলাপে অস্ট্রেলিয়ার জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক দূত ক্রিস্টিন টিলি বলেন, অস্ট্রেলিয়াতেও জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর অর্থনীতি ছিল। কারণ, দেশটিতে প্রচুর কয়লা আছে। সম্প্রতি প্রচুর গ্যাসও যোগ হয়েছে। ফলে সস্তায় জ্বালানি পাওয়া যায়। এরপরও অস্ট্রেলিয়া সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে শূন্য কার্বন নিঃসরণের দেশে পরিণত হওয়া এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা হাতে নিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া কয়লা ও গ্যাস রপ্তানি করে। এটাও পরিবর্তন হবে। বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অস্ট্রেলিয়া সহযোগিতা বাড়াতে চায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন, বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার মার্টিন হল বলেন, ‘আমাদের ৫০ শতাংশ বিনিয়োগ জলবায়ুকেন্দ্রিক। আমাদের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আরও কাজ করে যেতে হবে। কারণ, এটা জরুরি। লক্ষ্যপূরণের সামর্থ্য বাংলাদেশের আছে। অস্ট্রেলিয়ার সাহায্যে সেটা গতি পাবে।’

বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক দূত নিয়োগের মাধ্যমে বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে জলবায়ু সমস্যা নিয়ে কাজ বৃদ্ধি করতে অস্ট্রেলিয়ার আগ্রহ স্পষ্ট হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার জলবায়ু ও জ্বালানি নিয়ে কাজ করার ইতিহাসও দীর্ঘদিনের।

সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। প্রবন্ধ থেকে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো উপকূলীয় অঞ্চলের দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে সার্বিক জলবায়ু বিষয়ে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। অস্ট্রেলিয়া এ বিষয়ে অনেক সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছে। বাংলাদেশের বেশির ভাগ জলবায়ু নীতি অভিযোজন এবং প্রশমনবিষয়ক। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে আরও জোরালোভাবে কাজ করতে হবে।

খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রতিবছরে ২২ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন। অথচ বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। ১৮ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। কার্বন নির্গমন কমাতে উন্নত দেশগুলোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া ১০০ বিলিয়ন ডলারের জলবায়ু তহবিল থেকে জরুরি ভিত্তিতে ন্যায্য অংশ পাওয়ার আশা করে বাংলাদেশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

সিপিডির সংলাপে পরিবেশ উপদেষ্টা

জ্বালানি খাতের আর্থিক বোঝা বর্তমান সরকারকে অনেক পিছিয়ে দিয়েছে

আপডেট সময় : ০৭:০৯:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের রেখে যাওয়া বোঝা কমাতেই অন্তর্বর্তী সরকারকে বেশি সময় দিতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, শুধু জ্বালানি খাতের আর্থিক বোঝাই বর্তমান সরকারকে অনেক পিছিয়ে দিয়েছে।

‘বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া: ক্লাইমেট পলিসি অ্যান্ড দ্য গ্রিন এনার্জি ট্রানজিশন’ শীর্ষক সংলাপে রিজওয়ানা হাসান এ কথা বলেন। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) আয়োজনে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে মঙ্গলবার এই সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন সংলাপে সভাপতিত্ব করেন।

সংলাপে উপদেষ্টা বলেন, অর্থনীতির মানদণ্ডে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সব দেশের পদ্ধতি এক নয়। তাই জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার থেকে সরে আসা কিছু দেশের জন্য কঠিন হতে পারে। তবে কার্বন নিঃসরণে বেশি ভূমিকা রাখা দেশগুলোকেই জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বড় দায়িত্ব নিতে হবে।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘আমরা আগের সরকারের যে ঋণের ভার বহন করে চলেছি, সেটা অবিশ্বাস্য। টাকা ছাপিয়ে আমরা কিন্তু সেটা পরিশোধ করছি না। প্রবাসী ভাইদের পাঠানো রেমিট্যান্স দিয়েই এটা মেটানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছি। তবে প্রকল্প এনে টাকা পাচারের সংস্কৃতি বন্ধ করা গেছে।’ তিনি বলেন, সব ত্রুটিযুক্ত চুক্তি বাতিল করার দাবি আসতে পারে; কিন্তু এর অনেকগুলো আইনিভাবেই বৈধ। সে প্রক্রিয়া মাথায় রাখতে হচ্ছে। জ্বালানির চাহিদাও মাথায় রাখতে হচ্ছে। বর্তমান আর্থিক অবস্থায় নতুন করে বড় বিনিয়োগের সুযোগ নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার নিজেরই তিন শূন্যের তত্ত্ব আছে। তাঁর মধ্যে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নির্গমন একটি বড় লক্ষ্য। রূপান্তরের ধারাটা সূচনা করার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিশ্চয়ই ভাবছে। তিনি বলেন, ‘কিছু জায়গায় আমরা কাজ করতে পারি। যেমন বড় বড় প্রতিষ্ঠানকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য শক্তির ওপর জোর দিতে বলতে পারি। এ ছাড়া সেচের কাজগুলো যেন সৌরশক্তির মাধ্যমে করা হয়, সেটাও ভাবতে হবে। তবে সবচেয়ে জরুরি হলো টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (স্রেডা) প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শক্তিশালী করা। এসবই জাতীয় পর্যায়ের ব্যবস্থা।’

সংলাপে অস্ট্রেলিয়ার জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক দূত ক্রিস্টিন টিলি বলেন, অস্ট্রেলিয়াতেও জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর অর্থনীতি ছিল। কারণ, দেশটিতে প্রচুর কয়লা আছে। সম্প্রতি প্রচুর গ্যাসও যোগ হয়েছে। ফলে সস্তায় জ্বালানি পাওয়া যায়। এরপরও অস্ট্রেলিয়া সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে শূন্য কার্বন নিঃসরণের দেশে পরিণত হওয়া এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা হাতে নিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া কয়লা ও গ্যাস রপ্তানি করে। এটাও পরিবর্তন হবে। বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অস্ট্রেলিয়া সহযোগিতা বাড়াতে চায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন, বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার মার্টিন হল বলেন, ‘আমাদের ৫০ শতাংশ বিনিয়োগ জলবায়ুকেন্দ্রিক। আমাদের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আরও কাজ করে যেতে হবে। কারণ, এটা জরুরি। লক্ষ্যপূরণের সামর্থ্য বাংলাদেশের আছে। অস্ট্রেলিয়ার সাহায্যে সেটা গতি পাবে।’

বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক দূত নিয়োগের মাধ্যমে বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে জলবায়ু সমস্যা নিয়ে কাজ বৃদ্ধি করতে অস্ট্রেলিয়ার আগ্রহ স্পষ্ট হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার জলবায়ু ও জ্বালানি নিয়ে কাজ করার ইতিহাসও দীর্ঘদিনের।

সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। প্রবন্ধ থেকে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো উপকূলীয় অঞ্চলের দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে সার্বিক জলবায়ু বিষয়ে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। অস্ট্রেলিয়া এ বিষয়ে অনেক সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছে। বাংলাদেশের বেশির ভাগ জলবায়ু নীতি অভিযোজন এবং প্রশমনবিষয়ক। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে আরও জোরালোভাবে কাজ করতে হবে।

খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রতিবছরে ২২ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন। অথচ বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। ১৮ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। কার্বন নির্গমন কমাতে উন্নত দেশগুলোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া ১০০ বিলিয়ন ডলারের জলবায়ু তহবিল থেকে জরুরি ভিত্তিতে ন্যায্য অংশ পাওয়ার আশা করে বাংলাদেশ।